ওয়েব ডেস্ক: গান্ধী জয়ন্তীর দিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল দেশ। একদিকে মুম্বয়ের শিবাজি পার্কে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে ককরোচ জনতা পার্টি। এদিকে দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বরে একজোট হয়ে বিক্ষোভ করেছে বাম, কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির সমর্থকরা। কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে যন্তর মন্তর চত্বর। ১১০০-র বেশি বিরোধী দলের সমর্থকদের আটক করেছে রাজ্যের পুলিশ।
শুক্রবারের প্রতিবাদে বিরোধী সমর্থকদের দেখা গেল পুলিশের ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরের দিকে এগোনোর চেষ্টা করে। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী, সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জীব ঝা সহ বহু নেতা, ছাত্র-ছাত্রী যুব সংগঠনের সদস্য প্রতিবাদে শামিল হন।
আরও পড়ুন: সিজেপি-র প্রতিবাদে শামিল শাবানা, বিশাল ভরদ্বাজ, বিশাল দাদলানি
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ১১০০-র বেশি প্রতিবাদকারীকে আটক করা হয়েছে। আটক হওয়া বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন বাম সংগঠন এইআইএসএ এবং এসএফআই-এর সদস্য, কংগ্রেসের এনএসইউআই-এর সদস্য এবং অন্যান্য ছাত্র এবং যুব সংগঠনের সদস্যেরা। ৩
প্রতিবাদে শোনা গেল নানা ধরনের অভিনব স্লোগান। শোনা গেল, ‘এক কচোরি দো সমোসা, জ্ঞানেশ তুমহারা কেয়া ভরোসা’, ‘গলি গলি মে শোর হ্যায়, মোদি-জ্ঞানেশ ভোট চোর হ্যায়’, ‘ভোট চোর গদ্দি ছোড়’। বস্তুত এই সবই জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে।
দিল্লি পুলিশ এই সমাবেশের অনুমতি দেয়নি এবং নয়াদিল্লি এলাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। যন্তর মন্তর ও মধ্য দিল্লির অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল এবং আটক বিক্ষোভকারীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
