ওয়েব ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার (Middle East Crisis) জেরে যখন বিশ্বজুড়ে এলপিজি (LPG Crisis) সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময়ে ভারতের বিজ্ঞানীদের (Indian Scientists) এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার নতুনভাবে আশার আলো দেখাচ্ছে মানুষকে। পুনের (Pune) সিএসআইআর-ন্যাশনাল কেমিক্যাল ল্যাবরেটরির (CSIR-National Chemical Laboratory) গবেষকরা সফলভাবে ডাইমিথাইল ইথার (Dimethyl Ether) বা ডিএমই গ্যাস (DME Gas) তৈরি করেছেন, যা ভবিষ্যতে এলপিজির কার্যকর বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।
বিজ্ঞানী তিরুমালাইভামি রাজার নেতৃত্বে গবেষক দলটি প্রায় দুই দশকের নিরলস গবেষণার মাধ্যমে ডিএমই উৎপাদনের জন্য একটি বিশেষ অনুঘটক তৈরি করেছে। সম্প্রতি একটি পরীক্ষামূলক কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ কিলোগ্রাম ডিএমই উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গ্যাস এলপিজির সঙ্গে প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত মিশিয়ে ব্যবহার করা সম্ভব, যা ভারতের আমদানি নির্ভরতা কমাতে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
আরও পড়ুন: পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! কী কী নির্দেশ? কতদিনের ছুটি? দেখে নিন একনজরে
ডিএমই-র অন্যতম বড় সুবিধা হল এটি এলপিজির তুলনায় দূষণ কম সৃষ্টি করে। ফলে এটি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শুধু মিশ্রণ নয়, ভবিষ্যতে এটি স্বতন্ত্র জ্বালানি হিসেবেও গৃহস্থালি ও শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হতে পারে। বড় পরিসরে উৎপাদন শুরু হলে এর দাম এলপিজির তুলনায় কম হতে পারে বলেও মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীদের মতে, একটি আধা-বাণিজ্যিক প্রদর্শনী প্ল্যান্ট সফলভাবে চালু করা গেলে এই প্রযুক্তিকে বড় আকারে দ্রুত বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে, ডিএমই ভবিষ্যতে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাশ্রয়ী বিকল্প জ্বালানি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
দেখুন আরও খবর:

