ওয়েব ডেস্ক : মধ্যপ্রদেশের (Madhyapradesh) আলিরাজপুর জেলায় চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ। স্বামীকে খুন করে তাঁর দেহের দেহাবশেষ বাড়ির ভিতর বালির নিচে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে ৪৭ বছরের এক মহিলার বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ১৭ দিন পর ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। মৃত ব্যক্তির বয়স ছিল ৫০ বছর।
পুলিশের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বারবার অশান্তি হত। স্বামীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহের জেরে ঝামেলার সময় ওই মহিলা কাঠের লাঠি দিয়ে স্বামীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁর দেহ একটি ড্রামের নিচে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দেহ পুরোপুরি পুড়িয়ে ফেলতে না পেরে পোড়া দেহাবশেষ বাড়ির ভিতর বালির নিচে চাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আরও খবর : ৫ মাসের ভ্রূণ নষ্ট সন্তানের মৃত্যু হিসাবেই গণ্য হবে : হাইকোর্ট
ঘটনার প্রায় ১৭ দিন পর দম্পতির ২১ বছরের ছেলে গুজরাত থেকে বাড়িতে ফেরেন। বাবাকে বেশ কয়েক দিন ধরে দেখতে না পেয়ে তিনি মাকে প্রশ্ন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, এরপরই ওই মহিলা বাবাকে খুনের কথা স্বীকার করেন বলে অভিযোগ। ছেলের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গিয়ে বালি খুঁড়ে দেহাবশেষ উদ্ধার করে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মৃতের পরিচয় সংক্রান্ত নথি, ছবি এবং অন্যান্য কাগজপত্রও পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দেহাবশেষ এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত ছিল যে ময়নাতদন্তের জন্য সেগুলি ইন্দোরে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার খুন এবং অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করার ধারায় মামলা করা হয়েছে।
