ওয়েব ডেস্ক: সিকিমের (Sikkim) নামচি জেলার একটি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস (Landslide) নেমে অন্তত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু (Death) হল। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের সকলেই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি জলপাইগুড়ি জেলার ডুয়ার্স অঞ্চলে। দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একইসঙ্গে টানেলের ভিতরে আরও কয়েকজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে পূর্ব সিকিমের (Sikkim) মামরিং এলাকায় চলতে থাকা সুড়ঙ্গ নির্মাণের সময় আচমকাই ধস নামে। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আরও খবর : রাজঘাটে একুশের শ্রদ্ধার্ঘ্য, ‘কার্গিলের শহিদরাও শহিদ’ মন্তব্য কাকলি ঘোষ দস্তিদারের
মৃতদের অধিকাংশই মেটেলি, নাগরাকাটা এবং বানারহাট এলাকার বাসিন্দা বলে খবর। স্থানীয় সূত্রের খবর, ডুয়ার্সের চা-বাগানে অনিশ্চিত কর্মসংস্থানের কারণে অনেকেই জীবিকার খোঁজে সিকিমে নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করতে গিয়েছিলেন। তাঁদের মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই পরিবারগুলিতে কান্নার রোল পড়ে যায়। এখনও কয়েকজন শ্রমিকের খোঁজ মেলেনি বলেও জানা গিয়েছে।
যে সুড়ঙ্গটিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটি সিকিমের (Sikkim) প্রথম ডাবল-লেন টানেল প্রকল্পের অংশ। জাতীয় সড়ক-১০-এর সংযোগ আরও উন্নত করা এবং নাথু-লা অভিমুখে যাতায়াত সহজ করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। দুর্ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শোকপ্রকাশ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও মৃত ও নিখোঁজ শ্রমিকদের বিষয়ে সিকিম প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে পরিস্থিতির উপর নজরদারি করছে।
