ওয়েব ডেস্ক : পালাবদলের পর বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026)। তার আগে সোমবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৈঠক শেষে জানালেন, এ বার প্রতিটি পুজো কমিটিকে ১ লক্ষ টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়া হবে। তবে বড় বাজেটের পুজোগুলিকে অনুদান না নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তিনি। অনুদান নেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত পুজো কমিটিগুলির উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বারের পুজোয় আরও কিছুটা সুরাহা পেল পুজো কমিটিগুলি। বিদ্যুতের জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না। দমকলের লাইসেন্সের ক্ষেত্রেও কোনও ফি নেওয়া হবে না। তবে পুজোর উদ্বোধন নিয়ে আগের বছরের ধারা থেকে সরে এল সরকার। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মহালয়ার আগে কোনও পুজোর উদ্বোধন করা যাবে না। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেনে মেগা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হবে এ বারের পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা।
আরও খবর : প্যারাটিচার-সহ একাধিক কর্মীর বেতন বাড়ল, ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যালকে ঘিরে আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল কলকাতায় (Kolkata)। এ বার অবশ্য সেই আয়োজন থাকছে না। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যাল হবে না। তার বদলে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে।
বিসর্জনের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে রাজ্য। ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। অর্থাৎ অনুদান থেকে শুরু করে পুজোর উদ্বোধন, কার্নিভ্যাল এবং বিসর্জন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ বার একাধিক নতুন নিয়মে দুর্গোৎসব পরিচালিত হবে।
