ওয়েব ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকালে কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah) ঘোষণা করলেন, তিনি কর্নাটকের (Karnataka) মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। তাঁর এই ঘোষণায় তিন বছরের নেতৃত্ব ঘিরে যে বিতর্ক ছিল, তার অবসান হল। এ দিন সকালে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বাসভবনে যান উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার (D. K. Shivakumar)। কংগ্রেস সূত্রে খবর, এ বারে কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন শিবকুমার। সিদ্দারামাইয়াকে (Siddaramaiah Resignation) রাজ্যসভায় আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কর্নাটকে অস্বস্তি কাটছেই না কংগ্রেসের। মঙ্গলবার বিবাদমান দুই গোষ্ঠীর নেতাকে দিল্লিতে ডেকে তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে কংগ্রেস। দুই গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা দেড়েক বৈঠক হয়েছে হাইকম্যান্ডের। আলাদা আলাদা করে তাঁদের বক্তব্য শোনেন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং কে সি বেণুগোপালরা। আলাদা করে দুই নেতার বক্তব্য শোনেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।গত কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন সিদ্দারামাইয়া।বৃহস্পতিবার নিজের বাসভবনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। সিদ্ধারামাইয়া বৈঠকে বলেন, “হাইকম্যান্ডের নির্দেশে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস নেতৃত্ব।” তিনি আরও জানান, নতুন মুখ্যমন্ত্রী যিনিই হন না কেন, তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন তিনি। কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসার কথা শিবকুমারের। তবে সিদ্দাকেও হতাশ করতে রাজি নয় কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। তাঁকে রাজ্যসভায় আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী দিনে তাঁকে কেন্দ্রীয় স্তরে বড় দায়িত্ব দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে খবর।
আরও পড়ুন: অসম বিধানসভায় পাশ হল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল
কংগ্রেস সূত্রে খবর মিলেছিল, রাজ্যপাল টি গেহলটের কাছে তিনি সময়ও চেয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু বুধবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরু ছেড়েছেন রাজ্যপাল! রাত সাড়ে ১১টার বিমানে তিনি ইন্দোর গিয়েছেন বলে খবর। যদিও লোকভবনের সূত্র জানিয়েছে, জরুরি পারিবারিক কারণে ইন্দোরে নিজের বাড়িতে যেতে হয়েছে রাজ্যপালকে। কিন্তু তিনি কবে বেঙ্গালুরু ফিরবেন, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। কংগ্রেস সূত্রে খবব, রাজ্যপাল লোকভবনে না থাকলেও সিদ্দা নিয়ম মেনে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন। তাতে বিশেষ অসুবিধা হওয়ারও কথা নয়।
