শোকস্তব্ধ টলিপাড়া,  প্রয়াত ‘সাধক বামাখ্যাপা’র চিত্রনাট্যকার ঋতম ঘোষাল

Must Read

ওয়েবডেস্ক-  শোকস্তব্ধ টলিপাড়া (Tolipara)। চলে গেলেন ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ ‘সাধক বামাখ্যাপা’র (Sadhak Bamakhayapa)  চিত্রনাট্যকার ঋতম ঘোষাল (Screenwriter Ritam Ghoshal) । তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে শোকের ছায়া টলিউডে (Tollywood) । বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। পুরী (puri)  থেকে ফেরার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, কলকাতায় পৌঁছন মাত্রই তাঁকে তড়িঘড়ি এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়, চিকিৎসা করারও সুযোগ পাননি চিকিৎসকেরা। বুধবার সকালে চিত্রনাট্যকার শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট ক করে তার প্রয়াণের খবর জানান। তখনই জানা যায়, পুরী থেকে ফেরার পথে মাঝরাস্তাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ঋতম, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরেও বাঁচানো যায়নি। সঙ্গে তাঁর সঙ্গে স্ত্রী ও মেয়েও ছিলেন।

পৌরাণিক কাহিনি মানেই  ছিল ঋতম ঘোষাল৷ ‘সাধক বামাখ্যাপা’ থেকে একাধিক পৌরাণিক কাহিনিকে দারুণ দক্ষতায় পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’, ‘কিরণমালা’, ‘দেবী চৌধুরাণী’, ‘কৃষ্ণ’, ‘সাধক রামপ্রসাদ’ -এর মতো পৌরাণিক ধারাবাহিকে তাঁর দক্ষতা ছিল অসাধারণ। তাঁর অকালমৃত্যু টলি ইন্ডাস্ট্রির বন্ধু তথা তারকারা কেউই মেনে নিতে পারছেন না। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন টলিপাড়ার একাধিক ব্যক্তিত্বরা।

আরও পড়ুন-  একসঙ্গে মেহেন্দিতে হাত রাঙালেন দেব-রুক্মিণী

ঋতমের এই প্রয়াণে ভেঙে পড়েছেন তার দীর্ঘদিন দিনের বন্ধু চিত্রনাট্যকার শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। শিবাশিস জানিয়েছেন, ঋতমের শীঘ্রই নতুন কাজের হাত দেওয়ার কথা ছিল। ব্যস্ততা বাড়ার আগে তাই মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে পুরী বেড়াতে গিয়েছিলেন ঋতম।

জানা গেছে, খুব ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিলেন ঋতম ঘোষাল। শারীরিক ভাবে সুস্থ ছিলেন না তিনি। স্পন্ডিলাইটিস এবং আর্থ্রাইটিসে খুব ভুগেছেন। সুস্থ থাকতে দামি ইনজেকশন নিতে হত তাঁকে।

Latest News

দায়িত্ব পালন না করলে থানার সব পুলিশকে পশ্চিমবঙ্গর শেষপ্রান্তে ট্রান্সফার করব: প্রধান বিচারপতি

ওয়েব ডেস্ক : রায়গঞ্জ থানার পুলিশ চিকিৎসকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আশ্চর্য! ওই...

More Articles Like This