ওয়েব ডেস্ক : রাত পোহালেই গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi)। চলতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর পালিত হবে এই বিশেষ তিথি। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে ভক্তদের বাড়িতে আগমন করেন গণপতি। তাঁর আরাধনায় জীবনের বাধা দূর হওয়ার পাশাপাশি সুখ ও সমৃদ্ধি আসে বলেও বিশ্বাস করেন অনেকে। গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বহু বাড়িতেই নিয়ম মেনে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। তবে বাড়িতে গণেশ পুজো করার ক্ষেত্রে মূর্তি স্থাপন থেকে শুরু করে পুজোর উপকরণ, সবকিছুরই আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়িতে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে সাদা রঙের গণেশমূর্তি শুভ। অন্যদিকে সুখ-সমৃদ্ধির কামনায় লাল রঙের গণেশমূর্তি রাখা যেতে পারে। বাড়িতে পুজোর জন্য বসা অবস্থায় থাকা গণেশমূর্তিকে বেশি শুভ বলে মনে করা হয়। দাঁড়ানো অবস্থার মূর্তি বাড়িতে পুজো না করাই শ্রেয় বলেই জানাচ্ছে শাস্ত্র।
আরও খবর : গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে? কলকাতায় পুজোর শুভ সময় জানুন, থাকল তিথি ও পুজোর নিয়ম
গণেশমূর্তি কোথায় রাখা হচ্ছে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। বাড়ির উত্তর, উত্তর-পূর্ব অথবা পশ্চিম দিককে গণেশ পুজোর জন্য শুভ বলে মনে করা হয়। তবে মূর্তি কখনও সরাসরি মেঝের উপর রাখা উচিত নয়। পরিষ্কার পিঁড়ি বা টুলের উপর মূর্তি স্থাপন করে পুজো করা যেতে পারে। শৌচাগারের পাশে, সিঁড়ির কাছে কিংবা অপরিচ্ছন্ন জায়গায় মূর্তি রাখা ঠিক নয়।
পুজোর উপকরণের মধ্যেও রয়েছে বিশেষ কিছু নিয়ম। গণেশের পুজোয় লাল ও হলুদ ফুল, পানপাতা, সুপুরি এবং দূর্বা রাখা হয়। এর সঙ্গে ঘি অথবা সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো এবং ধূপ দেওয়ার রীতিও রয়েছে। অখণ্ড চালও গণেশকে অর্পণ করা হয়। নৈবেদ্যের ক্ষেত্রে মোদক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মোদকের পাশাপাশি লাড্ডু এবং মরসুমি ফলও গণেশকে নিবেদন করা যেতে পারে। সবশেষে গণেশের স্তোত্র পাঠ করে পুজো সম্পন্ন করার রীতি রয়েছে।
