পুজোর মঞ্চে রাজনীতির ছোঁয়া নয়! ‘কোনও নেতার পুজোয় যাচ্ছি না’, সাফ দিলীপ ঘোষ

Must Read

কলকাতা: দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) উদ্বোধনে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে এবার ভিন্ন সুর বিজেপির (Bjp) অন্দরে। রাজ্যে পালাবদলের পর এটাই প্রথম দুর্গাপুজো। তার আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছেন, পুজোর উদ্বোধনে রাজনৈতিক নেতাদের বদলে সমাজের বিশিষ্ট ও গুণীজনদের আমন্ত্রণ জানানো হোক। সেই অবস্থানকেই সমর্থন করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

রবিবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপ। সেখানেই তাঁকে পুজোর উদ্বোধনে রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমি তো কোনও নেতাদের পুজোতেও যাচ্ছি না।”

গত কয়েক বছরে বাংলার একাধিক বড় পুজো রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের উপস্থিতি এবং উদ্বোধনের কারণে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে মন্ত্রী, সাংসদ এবং দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের পুজোর উদ্বোধন করতে দেখা গিয়েছে। নতুন সরকারের আমলে সেই সংস্কৃতিতে বদল আনার ইঙ্গিতই মিলছে বিজেপির তরফে।

দিলীপের মতে, পুজোর মঞ্চে সমাজের কৃতী মানুষদের সামনে আনা যেতে পারে। পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ-সহ বিভিন্ন জাতীয় সম্মানে সম্মানিত ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক আনুগত্যের ঊর্ধ্বে থাকা বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।

শুধু পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিই নন, সাধু-সন্ত, ক্রীড়াবিদ এবং গ্রামেগঞ্জে নীরবে সমাজের জন্য কাজ করে চলা সাধারণ মানুষদেরও পুজোর উদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানানোর পক্ষে সওয়াল করেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, এমন মানুষদের সামনে আনলে তাঁরা সমাজের কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠবেন।

রাজনীতিতে যাঁদের ভাবমূর্তি ভালো, তাঁদেরও আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে বলে মত দিলীপের। সব মিলিয়ে দুর্গাপুজোকে রাজনৈতিক প্রচারের মঞ্চ না করে সমাজের কৃতী ও অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষদের সামনে আনার বার্তাই দিল বিজেপি।

Latest News

বক্তৃতার মাঝেই শি জিনপিংয়ের দিকে নজর, আচমকা থেমে গেলেন মোদি! কী হয়েছিল ব্রিকস মঞ্চে?

ওয়েব ডেস্ক : দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের (BRICS Summit) মঞ্চে শনিবার নজর কাড়ল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) একটি মুহূর্ত।...

More Articles Like This