ওয়েব ডেস্ক : কঙ্গোয় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা সংক্রমণ। এর জন্য দায়ী বুন্ডিবুজিও প্রজাতির ভাইরাস। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েক হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃতের সংখ্যা ২১০০ পেরিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এবারের সংক্রমণে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে ভাইরাসের সম্ভাব্য উৎস। সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে নতুন করে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে মানুষের সংস্পর্শের পাশাপাশি প্রাণীদেহ থেকেও সংক্রমণ ছড়াচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা।
আরও খবর : ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৮! ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে বহু
বুন্ডিবুজিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনও অনুমোদিত নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। কঙ্গোর দুর্গম এলাকা এবং সীমিত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সংক্রমণ মোকাবিলায় বড় চ্যালেঞ্জ। কঙ্গোর পাশাপাশি উগান্ডাতেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। সীমান্তবর্তী এলাকায় তাই নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
জিনগত গবেষণায় ভাইরাসটির কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য সামনে এসেছে। সংক্রমণের উৎস, ভাইরাসের পরিবর্তন এবং ভবিষ্যতে এর বিস্তারের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায় ভয়াবহ ইবোলা মহামারিতে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার শুরু থেকেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জোর দেওয়া হচ্ছে।
