ওয়েব ডেস্ক: শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ আরও দুই অভিযুক্ত। তাঁরা তৃণমূল নেতা সুজয় হাজরা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের নির্দেশে সরাসরি কাজ করতেন বলে অভিযোগ। সুমিত গ্রেফতার হওয়ার পরে ওই দুই অভিযুক্ত কৈলাস আগরওয়াল এবং সরফুদ্দিন খান আগাম জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ। তাঁদের আশঙ্কা, এ বার তাঁদের গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ।
হাইকোর্টে সিআইডির (CID) দাবি, সরকারি জমি ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসাবে পরিবর্তন করতেন ওই দু’জন। এর আগে তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই সুজয় এবং সুমিতের নির্দেশে বিএলআরও-র (BLRO) সঙ্গে মিলে জমি পরিবর্তনের কাজটি করতেন।
আরও পড়ুন: কালীঘাট মন্দিরের গয়না ‘গায়েব’! দুর্নীতির অভিযোগে CBI তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাবর্ণ পরিবার
রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদারের সওয়াল, প্রায় ৩০০ একর জমি পরিবর্তনের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে কয়েক একর জমির চরিত্র বদলের বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই দুর্নীতিতে সুমিত রায়-সহ পুরো একটি র্যাকেট কাজ করেছে। ইতিমধ্যে সুমিত রায়ের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তিনি এখন হেফাজতে রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সম্প্রতি নিম্ন আদালত আরও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এই অবস্থায় তদন্তের প্রয়োজনে ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। না হলে পুরো র্যাকেট সামনে আসবে না।
কৈলাস ও সরফুদ্দিনের আইনজীবীর বক্তব্য, “সুমিত রায় গ্রেফতার হয়েছেন বলে এ বার আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। ঘটনার দীর্ঘ দিন পরে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বলা হচ্ছে, চার্জশিটে নাম রয়েছে। কিন্তু তার তথ্য আমাদের কাছে নেই।” বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, আগামী শুক্রবার পরবর্তী শুনানি। তার মধ্যে চার্জশিটের তথ্য মামলাকারীদের দিতে হবে।
