“ভালোবাসা মানে আর্চিস গ্যালারি, ভালোবাসা মানে গোপন গোপন খেলা, ভালোবাসা মানে কান্না ভেজা চোখে, ভালোবাসা মানে নীল খামেদের ভেলা”… আর সেই নীল খামের ভেতর পুরেদাও চকোলেট।ব্যাস, প্রেম জমে ক্ষীর।
ভালোবাসার আরেক নামই বোধহয় চকোলেট। চকোলেটে অনীহা কিংবা চকোলেটের সঙ্গে প্রেম নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। মন খারাপের দিন থেকে শুরু করে ভালোবাসার রাত্রি চকোলেট ছাড়া ভাবাই যায় না। আর তাই মনের কথা বোঝাতে কোনও দামি উপহার নয়, চকোলেটই যথেষ্ট।চকোলেটের সঙ্গে ভালোবাসার অঙ্গাঙ্গি সম্পর্ক।ভালোবাসা অসম্পূর্ণ থেকে যায় চকোলেটের স্বাদছাড়া। এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় চকোলেট ক্যাডবেরি ডেয়ারি মিল্ক।জানা যায়, ক্যাডবেরি চকোলেট তৈরি করে রিচার্ড ক্যাডবেরি।শুধু তৈরি করাই নয়, ১৮৬১সালে হার্টশেপড বাক্সে তা ঘরে ঘরে পৌঁছেও দেয়। একসময় চেয়েছিল খাঁটি কোকোবাটার তৈরি করতে। আর এই কোকোবাটার তৈরির সময়ই আবিষ্কার হয় ক্যাডবেরি চকোলেটের।
আরও পড়ুন: নখের আমি, নখের তুমি
চকোলেটের স্বাদ প্রথম পেয়েছিল লাতিন আমেরিকার মায়া সভ্যতা। নামটিও এসেছে তাদের ভাষার স্কোকোলেট থেকে। যার অর্থ অম্লপানীয়। কোকো গাছের বীজ থেকে তৈরি এই চকোলেট গোড়ার দিকে মূলত পানীয় হিসেবেই ব্যবহার করা হত।তখন মায়ারাজ পরিবারের সদস্য, প্রশাসক, ধর্মগুরু, সৈনিক ও বণিক সম্প্রদায়ই এর স্বাদ নিতে পারত।
আধুনিক চকোলেটের প্রথম কারখানা গড়ে ওঠে স্পেনে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার দেশ যেমন, ঘানা, নাইজেরিয়া, কঙ্গো ইত্যাদি দেশ উন্নতমানের কোকো বীজ আমদানি করে চকোলেট তৈরি করে।
আরও পড়ুন: ঠিক যেন ‘দৃশ্যম’-এর পুনর্নির্মাণ
পরে মায়াদের কাছ থেকে চকোলেটের ব্যবহার শিখে নেয় আজটেকরা। তাদের আরাধ্য দেবতা কোয়েটজালকটলই নাকি এই কোকো গাছ পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিল। এই গাছের ফল খেলে সাম্রাজ্যও এবং ক্ষমতা দুই জয় করা যায়।এমনটাই বিশ্বাস ছিল আজটেকদের।
চকোলেট দুনিয়ায় অনেক দেশই বিখ্যাত।এরমধ্যে বেলজিয়াম, সুইৎজারল্যান্ড, ইতালি চকোলেটের জন্য বেশি বিখ্যাত।চকোলেট মুখে দিলেই গলে যাওয়ার অনুভূতির তৃপ্তি চুম্বনের চেয়েও বেশি তৃপ্তির।ইউরোপের ৭০শতাংশ মানুষ এই কথা স্বীকারও করেছেন।তাই চকোলেট তেতো হোক বা মিষ্টি, সবকিছুর সঙ্গেই জুড়ে যাবে প্রেম।