8.6 C
New York

রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন, ভোট কখন শুরু, কখন শেষ?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রথম দফা ভোট। কোন রাজনৈতিক দল রাজ্যের মসনদে বসবে তা ঠিক করতে স্বাভাবিকভাবেই ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন সকল রাজ্যবাসী। তীব্র দাবদাহের মধ্যে নির্বাচন হচ্ছে। সকাল হতে না হতেই রীতিমতো তেজ দেখাচ্ছে সূর্য। যত বেলা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পারদও। ফলে গরমকে সঙ্গী করে ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন রাজ্যবাসী। ভোটের একবারে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও অনেকেই জানেন না ঠিক কখন ভোট (Vote Timing) শুরু আর কখন শেষ। কমিশন সূত্রে খবর, সকাল ৭টার সময় শুরু হবে ভোটগ্রহণ। আর শেষ হবে সন্ধে ৬টায়। এর মধ্যেই ভোটদান করতে হবে।

কমিশন সূত্রে খবর, সকাল ৭টার সময় শুরু হবে ভোটগ্রহণ। আর শেষ হবে সন্ধে ৬টায়। এর মধ্যেই ভোটদান করতে হবে। তারপরে বুথের গেটে যত জন ভোটার লাইনে থাকবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে তাঁদের হাতে স্লিপ তুলে দেবেন প্রিসাইডিং অফিসার। এটাই হল এবারের নিয়ম। তাই এই সময়ের মধ্যেই ভোট দিতে যেতে হবে। তাহলেই ভোট দিতে পারবেন।নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) পক্ষ থেকে জানান হয়েছে প্রত্যেকটা বুথে থাকবে টয়লেটের ব্যবস্থা থাকবে। বুথগুলিতে চলবে ওয়েবকাস্টিং। সেই সঙ্গে বুথে পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকবে। কোনও ভোটারের তেষ্টা পেলে তাঁরা জল পান করতেই পারেন। মোবাইল ফোন নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া যাবে না। বরং সেটা রেখে যেতে হবে। আর সেই সমস্যা সমাধানে এই প্রথমবার বুথের সামনে মোবাইল কাউন্টার করবে কমিশন। সেখানে মোবাইল রেখে ভোট দিতে যেতে পারেন। তাতে কোনও সমস্যা হবে না। সব বুথেই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারা ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে। পাশাপাশি ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সেটার খেয়াল রাখা হবে। এছাড়া কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর একটা হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। কোনও সমস্যা হলেই ১৮০০৩৪৫০০০৮ বা ১৯৫০ টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করুন। তাহলেই কমিশন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেবে।

আরও পড়ুন: ৪ শতাংশ DA এপ্রিলের বেতনেই, বড় ঘোষণা মমতার

ভোটারদের ভোট দিতে বুথে প্রবেশ নিয়ে নতুন নিয়ম নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। প্রতি বুথে থাকবে ‘ভোটার সহায়তা বুথ’। সেখানে দু’জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। সহায়তা বুথে ভোট শুরুর আগে থেকে উপস্থিত থাকবেন বিএলও এবং তাঁর এক সহকারী। তাঁরাই স্থির করবেন, কোন ভোটার ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, বিএলওর কাছে ভোটার তালিকার কপি থাকবে। ভোটারকে তাঁর নাম ও সিরিয়াল নম্বর খুঁজে পেতে সাহায্য করতে হবে বিএলও-কেই। ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে যে, তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য কি না এবং তা ভোটার তালিকার তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।বিএলও সন্তুষ্ট হলে তাঁকে লাইনে দাঁড়াতে দেবেন। এবারের ভোট অন্যান্যবারের থেকে অনেকটাই আলাদা।

এবার ভোট ঘোষণার অনেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে রাজ্যে। ২০০১ সালে এক দফায় ভোট হওয়ার পর, এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের।প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন। সেই সঙ্গে সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটের জন্য মোট ৪০ হাজার ৯২৮ জন পুলিশ কর্মী বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে।

Latest News

প্রথম দফায় ‘হেভিওয়েট’ লড়াই! ১৫২ আসনে কতজন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ? দেখে নিন একনজরে

কলকাতা: শুরু হল নীলবাড়ির লড়াই। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (First Phase Polling) শুরু...

More Articles Like This