ওয়েব ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) মুখে দলীয় কোন্দল নিয়ে অস্বস্তি বাড়ল পদ্ম শিবিরে। এবার প্রকাশ্যে এল বিজেপির (BJP) অন্তর্দ্বন্দ্ব। বিতর্কের সূত্রপাত বাঁকুড়ার (Bankura) বড়জোড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জনসভা ঘিরে, যেখানে দেখা গেল না জেলার বিদায়ী বিধায়ক এবং বিজেপি প্রার্থীকে। এই ছবি সামনে আসতেই বিজেপির দলীয় মতভেদ এবং গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
রবিবার দিনের প্রথম সভায় বড়জোড়ায় উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীদের হয়ে ভোটের আবেদন জানান। সাধারণত এ ধরনের সভায় প্রার্থীদের মঞ্চে তুলে জনতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এদিন সেই চিত্র ছিল ব্যতিক্রমী। ওন্দা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী অমর শাখা মঞ্চে জায়গা পাননি। তাঁকে নিচেই থাকতে হয়। এ প্রসঙ্গে অমর শাখা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, মঞ্চে ওঠার বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করা হলেও সাংসদের তরফে কোনও সহযোগিতা পাননি। বরং তাঁকে ‘মিসগাইড’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নিরাপত্তারক্ষীরা অন্য গেট দিয়ে যাওয়ার কথা বলায় শেষ পর্যন্ত তিনি মঞ্চে উঠতেই পারেননি।
আরও পড়ুন: প্রচারে অভিনবত্ব, কৃষকদের সঙ্গে কেক কেটে জন্মদিন পালন গাইঘাটার বিজেপি প্রার্থীর
অন্যদিকে শালতোড়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরি’ও এদিন মোদির সভায় উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, সভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননি। যদিও এর আগে আসানসোলের সভায় তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে জানান। বর্তমানে তিনি বুথ পর্যায়ের প্রচার এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সভা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তাঁর এলাকায় এখনও কয়েকটি বুথে প্রচার বাকি থাকায় সেই কাজেই মন দিয়েছেন তিনি।
তবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দুই প্রার্থীর অনুপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই দলের অন্দরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলকেই প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে। নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি দলের সংগঠনিক সংহতির উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।
দেখুন আরও খবর:
