ওয়েবডেস্ক- বিজেপির (Bjp) নিহত কর্মীদের (Worker) পাশে সরকার (Bjp Government) । ৩২১ জন মানুষ যারা এই নির্বাচনে মারা গেছেন তাদের পরিবারের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে (First cabinet Meeting) একাধিক ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Cm Shuvendu Adhikari)।
আজকে শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্তগুলি যথেষ্ঠ গুরুত্বপূর্ণ। এর পরবর্তী বৈঠক হবে আগামী সোমবার। সেদিনও আরও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গদিতে বসার পরেই আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিল সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। যা যথেষ্ঠ গুরুত্বপূরণ।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপির যে সব কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে, সেই ৩২১ জনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে শুভেন্দু অধিকারী সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এর পরে তিনি বলেন, সেই সমস্ত পরিবারগুলির প্রতি সরকার দায়বদ্ধ। এই পরিবারগুলির পাশে সরকার আছে। হত্যার বিচার চায় তাঁরা। তা আমরা দেব।
উল্লেখ্য, সোমবার বিজেপির নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হয়। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সরকারের আরও পাঁচ মন্ত্রী। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৬টি গুরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শহিদ বিজেপি কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, ‘বিশ্বকর্মা যোজনা’, ‘আয়ুষ্মান ভারতে’র মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হল রাজ্যকে।
রাজ্যের আইপিএস, আইএএসরা কেন্দ্রের কোনও ট্রেনিংয়ে এতদিন অংশ নিতে পারতেন না। এবার থেকে চাইলে তাঁরা ট্রেনিংয়ে অংশ নিতে পারবেন। আজ থেকে রাজ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা লাগুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এতদিন বঙ্গে অসাংবিধানিকভাবে আইপিসি ছিল।
সরকারি চাকরিতে আবেদনকারীর বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নিল নতুন সরকার। বাংলায় প্রচারে এসেই বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
