ওয়েব ডেস্ক : সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ। আমেরিকার (America) সঙ্গে আলোচনা করতে রাজিই হল না ইরান (Iran)। এর জন্য মার্কিন মানসিকতাকেই দায়ী করেছেন তেহরান (Tehran)। মূলত, সোমবার আমেরিকার সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ইরানের। কিন্তু তার আগে তেহরানকে একপ্রকার শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এর পরেই বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান।
সোমবার ইরানের (Iran) জাতীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে বলা হয়, ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক হওয়ার যে খবর ছড়িয়েছিল, তা ভুল। সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আমেরিকা ইরানের উপর একাধিক শর্ত চাপানোর চেষ্টা করছে। যা অযৌক্তিক ও অবাস্তব। প্রথম বৈঠকের সময়েও নিজেদের অবস্থান থেকে আমেরিকা বার বার সরেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এমনকি নিজেদের মতামত প্রকাশ করেও তা পাল্টে ফেলেছে আমেরিকা।
আরও খবর : ‘নিজের সন্তানও রক্ষা পেল না’! আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব, গুলিতে মৃত ৮ শিশু
আন্তর্জাতিক মহলের মতে, ইরান এই বৈঠক না হওয়া নিয়ে কার্যত ট্রাম্পের (Trump) দিকেই আঙুল তুলেছে। কারণ, বৈঠকের আগেই ইরানকে হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, আর কোনও ভদ্রতা দেখানো হবে না। ইরান যদি চুক্তি না করে, তাহলে ইরানকে তছনছ করে দেওয়া হবে। আর এই বিষয়টিকে একদম ভালোভাবে নেয়নি তেহরান। জানানো হয়েছে, এইভাবে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ রেখেছে ইরান। তবে সম্প্রতি সংঘর্ষবিরতির মাঝে হরমুজ খুলে দিয়েছিল তেহরান। কিন্তু এর মাঝেই ফের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তার পর হুঁশিয়ারি। যার ফলে দ্বিতীয় শান্তি বৈঠকও বাতিল হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ইরানের উপর যে অহেতুক দাবি চাপাতেই চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য।
দেখুন অন্য খবর :
