26.9 C
New York

১৯ বছরের তরুণ কুস্তিগিরকে ফাঁসি দিল ইরান! কারণ কী?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : ‘ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধ’। এই অভিযোগে ১৯ বছরের তরুণ কুস্তিগির (Young wrestler) সালেহ মহম্মদি (Saleh Mohammadi)-কে ফাঁসি দিল ইরান (Iran)। সঙ্গে আরও দু’জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সম্প্রতি দেশের হয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। খেতাবও জিতেছেন। কিন্তু, এবার সেই তরুণ কুস্তিগিরের প্রাণ কেড়ে নিল খামেনেই প্রশাসন।

২০২৫ সালে মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন ইরানের (Iran) সাধারণ মানুষ। আয়াতোল্লা প্রশাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন তাঁরা। তবে বর্তমানে ইরানের উপর আক্রমণ করেছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। কিন্তু এর মাঝেও প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ইরান। এদিকে তরুণ কুস্তিগির সালেহ মহম্মদির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, গত বছর দু’জন পুলিশকর্মীকে হত্যা করেছেন তিনি। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাঁর দুই সঙ্গীও। এই বিষয়টিকে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধ হিসাবেই অভিহিত করেছে তেহরান (Tehran)।

আরও খবর : কিমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ! ০.০৭ শতাংশ ভোট পেল না উত্তর কোরিয়ায় শাসক দল

বাকি যে দু’জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন মেহদি ঘাসেমি এবং সইদ দাভোদি। এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন গর্জে উঠেছিল। আন্তর্জাতিক মহলেও আবেদন জানানো হয়েছিল যাতে এই মৃত্যুদণ্ডকে আটকে দেওয়া যায়। কিন্তু কোনও জায়গাতেই কোনও রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যার ফলে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই প্রাণ হারাতে হল তরুণ কুস্তিগিরকে। সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন আরও দু’জন।

প্রসঙ্গত, মূল্যবৃদ্ধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল ইরানের সাধারণ মানুষ। সেই সময় বিক্ষোভ রুখতে সাধারণ মানুষের দমন-পীড়নের অভিযোগ ওঠে খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ঘোষণা করা হয়েছিল, কেউ যদি বিক্ষোভে সামিল হন, তাহলে সেটিকে ‘ঈশ্বরের শত্রু’ হিসেবে দেখা হবে। পাশাপাশি, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে অভিযুক্তকে। কিন্তু, তেহরানের দমন পীড়নের জন্য ২ হাজার প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। এখনও জেলবন্দি অনেকে।

দেখুন অন্য খবর :

Latest News

সংঘর্ষ রুখতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ন্যাজাট থানার ওসি

ওয়েব ডেস্ক: নির্বাচনের ফলঘোষণার পর থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ উঠেছে। দুই দলের সংঘর্ষ...

More Articles Like This