ময়নাগুড়ির সভা থেকে বিস্ফোরক মমতা, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? দেখুন সরাসরি

0
50

ময়নাগুড়ি: উত্তরবঙ্গ (North Bengal) থেকে নির্বাচনী প্রচার (Election Campaign) শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে রওনা দেওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরেই নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। প্রসঙ্গ ওঠে তৃণমূল (Trinamool Congress) সাংসদ মহুয়া মৈত্রর প্রকাশ্যে আনা নির্বাচন কমিশনের একটি পুরানো নথি নিয়ে, যেখানে বিজেপির প্রতীক পদ্মফুল-সহ একটি সিল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ময়নাগুড়ির (Moynaguri) সভা থেকেও তিনি একযোগে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আনা বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও বড় মন্তব্য করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ময়নাগুড়ির সভা থেকে কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? দেখে নিন একনজরে।

আরও পড়ুন: ‘জাতপাতের রাজনীতি করি না’, উত্তরবঙ্গে ভোটের প্রচার বার্তা মমতার

ময়নাগুড়ির সভায় ‘হুঙ্কার’ মমতার

  • অন্নপূর্ণা পুজোর শুভ দিনে, মা অন্নপূর্ণাকে সাক্ষী রেখে আমি আমার নির্বাচনী প্রচার শুরু করলাম।
  • পেট্রোলের দাম বাড়ছে। কিন্তু এখন আমার কিছু করার নেই। আমার থেকে সব কেড়ে নিয়েছে। তবে আমার কাছে মানুষ আছে।
  • আমরা প্রতিশ্রুতি দিই না, করে দেখাই।
  • ‘চা-বাগান খোলা রাখতে, চা সুন্দরী চালু রাখতে তৃণমূলকে ভোট দিন।
  • ময়নাগুড়ি আমার পছন্দের জায়গা। জলপেশ শিবমন্দিরে ৫ কোটির স্কাইওয়াক করে দিয়েছি। নতুন হাসপাতাল হয়েছে। পলিটেকনিক হয়েছে। ময়নাগুড়ি ব্লকে ১৬৩ কোটি খরচে জলপ্রকল্প হয়েছে। ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেব। আমাদের ম্যানিফেস্টোয় আছে। চ্যাংরাবান্দ থেকে জোড়পুখরি ১৪ কিমি রাস্তা মানোন্নয়ন হয়েছে। সব কেড়ে নিয়েছে, আমার হাতে শুধু মানুষ আছে।
  • এসআইআর করে রাজবংশীদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এসআইআরে মৃত্যুর দায় কে নেবে? ওরা হিংসুটে দল। নোটবন্দি মনে আছে? এ দেশের নাগরিককে বলছে প্রমাণ দিতে হবে তাঁরা নাগরিক কি না।
  • চিন্তার কারণ নেই। শস্যবিমা আছে। সকলে ক্ষতিপূরণ পাবেন। আগে থেকেই তা করা আছে। শস্যবিমার টাকা কৃষকদের দিতে হয় না।
  • মেয়েদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চিরদিন চলবে। আমরা করে দেখাই। এরা বলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। বিহারে ভোটের আগে ৮ হাজার। তার পরেই বুুলডোজার। অন্য রাজ্যে আমাদের প্রকল্প টুকলিও করতে পারেনি ঠিকমতো।
  • মধ্যরাতে স্বাধীনতা এনেছিল, আমরা গর্ব করি। আজ সে সব ভুলে গণতন্ত্র মানছে না, ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। কাল বলবে এনআরসি করবে, ডিটেনশন ক্যাম্প করবে। আমি বেঁচে থাকতে এ সব হবে না। আমার পরে আমার জেনারেশনও সে সব অ্যালাও করবে না।
  • এখন বলছে, দুটো গ্যাস বুক করতে চাইলে ৩৫ দিন লাগবে। গ্যাসবেলুনের গ্যাস বেরিয়ে গিয়েছে। মানুষ খেতে পাবে না, আবার পুরোনো দিনে ফিরে যেতে হবে।
  • ৪ তারিখে কাউন্টিং হবে। ১-২-৩-৪, বিজেপির হবে হার। ১-২-৩-৪ তৃণমূল জিতবে আবার।
  • প্রত্যেক প্রার্থীকে বলব, অসমে বহু নমিনেশন রিজেক্ট করেছে। এটার থেকে শিক্ষা নিন। সকলে আইনজীবী নিয়ে যাবেন। সব কাগজ ভালো করে দেখে রাখবেন।
  • আমি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সম্মান করি। কিন্তু মনে রাখবেন, জনগণের শক্তিই আসল শক্তি। দিল্লি এখন দিল্লিতে ক্ষমতায় আছে, পাল্টে যাবে। আপনারা আপনাদের (কেন্দ্রীয় বাহিনী) কাজ সম্মানের সঙ্গে করুন। যদি ভোটের সময় আপনারা বিজেপির পোলিং এজেন্ট হয়ে গেলে, আমাদের মা-বোনেরা আছেন, তাঁরা দেখে নেবেন। আমরা কিছু করব না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here