ওয়েব ডেস্ক : ফের গণপিটুনির অভিযোগে মৃত্যুর ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সোনারপুর (Sonarpur) থানার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কামরাবাদ ফুলের হাটের আম্বেদকরনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম গোপাল হালদার। ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌঁছয়। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপাল হালদার-সহ তিনজন আম্বেদকরনগরের একটি বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাঁদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও দাবি। আচমকা হামলায় বাড়ির সদস্যরা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের বাসিন্দারা সেখানে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে গোপালের সঙ্গে থাকা আরও দু’জন সেখান থেকে পালিয়ে যায় । তবে গোপালকে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান তিনি।
পরে গোপালকে সুভাষগ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী।
তবে এই হামলার নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগের একটি খুনের ঘটনার সঙ্গে গোপালের যোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে, সেই বাড়ির মালিকের দাবি, কয়েক বছর আগে তাঁর ছেলে লাল্টু হাজরাকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় গোপাল হালদারকে গ্রেফতারও করেছিল সোনারপুর থানার পুলিশ। পুরনো সেই ঘটনার সঙ্গে বৃহস্পতিবারের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
