8.6 C
New York

Fourth Pillar | শুভেন্দু, অমিত শাহ, জ্ঞানেশ কুমার মিলেও বাংলা দখল করা দূরস্থান, বাগেও আনতে পারছে না

Must Read

নির্বাচনে চুরি-জোচ্চুরি, গায়ের জোরে জেতার চেষ্টা, খোলামকুচির মত টাকা ছড়ানো বা প্রশাসনকে ব্যবহার করা নতুন কিছুই নয়। সেই ১৯৫২ থেকে দেশে নির্বাচন হচ্ছে, বহু সমস্যা সেই শুরু থেকেই আছে, আগে দলিত মহল্লার মানুষজনকে ভোটের দিন বেরোতেই দেওয়া হত না, আগে বুথ দখল হত, বিরোধী প্রার্থীদের বলতেই দেওয়া হত না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা খানিক পালটে যাওয়া ছবি দেখছিলাম। ধরুন ২০১৯ লোকসভার ছবি, এই বাংলাতেই ভোটের পরে বিজেপির নেতারাই বলেছিলেন, সিআরপিএফ, কেন্দ্রীয় বাহিনী অনেকটাই আটকে দিয়েছে, ভোট নিয়ে তাঁরা মোটের উপরে খুশি। ২০২১-এ ভোটের আগেই শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, আগের কথা ভুলে যান, এবারে প্রতিটা বুথে সিআরপিএফ, একটা হাড়ও আস্ত থাকবে না, হ্যাঁ, ঠিক এই কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফলাফল তো তাঁদের পক্ষে যায়নি। এবারে কিন্তু যা যা হচ্ছে সবটাই এক্কেবারে অসম্ভব অন্যরকম, এরকমটা আমরা আগে কোনওদিনও দেখিনি, আর সেটা শুরু হয়েছে এই নতুন নির্বাচন কমিশনারকে বসানোর পর থেকেই। হ্যাঁ, এই জ্ঞানেশ কুমারকে দিল্লির এমনকি আমলা মহলেও ‘সঙ্ঘি জ্ঞানেশ’ বলে ডাকা হয়, মানে ইনি কেবল অমিত শাহের পুরাতন ভৃত্য এমনটাই নয়, ইনি আরএসএস-এর’ও পুরানো লোক, এসেছেন নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে, তিনটে কাজ এনাকে দেওয়া হয়েছে, তিনটে কাজ উনি নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন, বদলে? বদলে উনি দেশের অন্যতম সাংবিধানিক সংস্থার সর্বোচ্চ পদে আসীন, বদলে ওনার জন্য আলাদা করে সংসদে বিল এনে আনা হয়েছে, বলে দেওয়া হয়েছে, আজ নয়, কোনওদিনই এই চিফ ইলেকশন কমিশনারকে তাঁর দায়িত্ব থাকাকালীন কোনও সিদ্ধান্তের জন্য আদালতে বিচার করা যাবে না। মানে এক স্থায়ী রক্ষা কবচ দিয়ে হনুমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, যা তুই এবারে যা পারিস কর। কতটা নির্লজ্জ!

চণ্ডীগড়ে মেয়র নির্বাচনে সিসিটিভিতে দেখা গেল দায়িত্বে থাকা আমলা বিরোধীদের ভোট নিজেই কালি দিয়ে কেটে বাতিল বলে ঘোষণা করছেন। মানে সিসিটিভি একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, তাই না? এবারে আমাদের বাংলাতে বলা হয়েছে সেই সিসিটিভি ২০ মিনিটের বেশি বন্ধ থাকলেই নাকি ভোট বাতিল করে দেওয়া হবে, প্রতিটা বুথে দুটো করে সিসিটিভি, আর বাইরে একটা করে, সেটা আবার এই নির্বাচন কর্তারা কলকাতা, চাইলে দিল্লিতে বসে দেখতে পাবেন। কিন্তু এই মোদিজির সরকার আইন পাশ করিয়েই জানিয়ে দিয়েছে কোনও সিসিটিভি ফুটেজ চাইলেই তা দিতে বাধ্য নয় এই ইলেকশন কমিশন, এর মানে কী? এর মানে হল কোনও এক জায়গাতে যদি বিজেপির লোকজন বুথ লুঠ করে, তা নিয়ে যদি জটিলতা বাড়ে, তাহলেও সেই ফুটেজ হাইকোর্টের হাতে দিতে বাধ্য নয় এই জ্ঞানেশ কুমার। এক বছর আগে লোকনীতি-সিএসডিএস একটা সমীক্ষা চালিয়েছিল, দেখা গিয়েছে যে, ছ’টা রাজ্যে কমিশনের উপরে মানুষের আস্থায় উল্লেখযোগ্যভাবে ভাটা পড়েছে, আর আস্থাহীন মানুষের সংখ্যা হুহু করে বেড়েছে। উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লিতে ২০১৯ সালে যেখানে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ নির্বাচন কমিশনকে অবিশ্বাস করত, সেখানে এই মূহুর্তে এই সংখ্যা উত্তর প্রদেশে ৩১ শতাংশ আর দিল্লিতে ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে। কেরালায় এই হার ১০ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশ এবং মধ্যপ্রদেশে ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২২ শতাংশ হয়েছে। এই সমীক্ষার সামগ্রিক ফলাফল আরও অনেক উদ্বেগজনক। প্রায় ২১.৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, নির্বাচন কমিশন ‘সম্পূর্ণভাবে’ সরকারের, মোদি–শাহের চাপে কাজ করছে, আর ৩১.৭ শতাংশের মতে, এটা ‘কিছুটা’ চাপের মধ্যে আছে। মাত্র ১১.৬ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে কমিশন ‘একেবারেই’ কোনও চাপে নেই। মানে ৫৩ শতাংশ মানুষ নির্বাচন কমিশনকে সন্দেহের চোখে দেখে। যে মানুষ বুথে আসছেন, ভোটও দিচ্ছেন অথচ সেই মানুষজনের এই ভোট দিয়ে যে সরকার বদল হবেই, সে বিশ্বাস তার নেই। কিন্তু মজার ব্যাপার হল বাংলার মানুষের এক বড় অংশ তখনও এই নির্বাচন কমিশনের উপরে আস্থার কথা জানিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | নরেন্দ্র মোদির এক ঝুড়ি মিথ্যে

২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে নির্দেশ দেয় যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য এক নির্বাচন কমিটি গঠন করতে হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলের নেতা এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি থাকবেন। কিন্তু এই রায়টা্র স্পিরিটকে, মূল বিষয়টাকেই নস্যাৎ করার জন্যই কেন্দ্র সরকার ২০২৩ সালে এক নতুন আইন নিয়ে এল। এই আইনে প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে দিয়ে সেখানে একজন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে বসানো হল। তাহলে দাঁড়াল কী? এর ফলে নির্বাচন কমিটির মধ্যে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ২:১ হয়ে যায়, মানে সরকার যাঁকে চাইবে তাঁকেই চিফ ইলেকশন কমিশনার বানাবে, তিনি সরকারে থাকা দলের জন্যই কাজ করে যাবেন। সুপ্রিম কোর্ট যখন নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চেয়েছিল, তখন নতুন আইন এনে সরকার সেই স্বাধীনতার পথটাকেই বন্ধ করে দেওয়া হল। এর ফলে এক সাংবিধানিক সংস্থা তার নিরপেক্ষতা হারিয়ে দলীয় স্বার্থের অধীনে চলে যেতে বাধ্য হবে, হচ্ছেও তাই। ‘ভোট ফর ডেমোক্রেসি’ নামক এক বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীর লাগাতার চালিয়ে যাওয়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নির্বাচনের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যার মধ্যে এক বিশাল গরমিল ছিল, যা প্রায় ৫ কোটি ভোটের মতো। এক্কেবারে হিসেব মিলিয়ে বলতে গেলে, এই গরমিলের সংখ্যা ছিল ৪,৬৫,৪৬,৮৮৫। এই অস্বাভাবিক ভোট বৃদ্ধির সঙ্গে নির্বাচনী ফলাফলের এক শক্তিশালী সম্পর্ক নিশ্চিত ভাবেই আছে। অন্ধ্রপ্রদেশে, যেখানে ভোট বৃদ্ধির হার ছিল ১২.৫৪ শতাংশ এবং ওড়িশায় ১২.৪৮ শতাংশ, সেখানে বিজেপি-এনডিএ জোট অন্ধ্রতে ২৫টার মধ্যে ২১টা আর ওড়িষায় ২১টার মধ্যে ২০টা আসনে জয়লাভ করে। এর ঠিক উল্টোদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে যেখানে সাতটা ধাপের মধ্যে পাঁচটাতেই ভোট বাড়ার হার ০.৫০ শতাংশের নিচে ছিল, সেখানে বিজেপি-এনডিএ-র ফলাফল ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল। এই রাজ্যে তাদের আসন সংখ্যা ২০১৯ সালের ৬৪ থেকে কমে ২০২৪ সালে ৩৬-এ নেমে আসে। এটা একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, ভোট গণনায় যত বেশি গরমিল ছিল, বিজেপি-এনডিএ জোটের আসন লাভ তত বেশি হয়েছে। ভোট গণনায় এই অস্বাভাবিক গরমিল নিয়ে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR)-এর রিপোর্টেও গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের মতে, ৫৪২টা আসনের মধ্যে ৫৩৮টাতে ভোটদান ও ভোটগণনার সংখ্যায় গরমিল ছিল। এর মধ্যে ১৭৬টা আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের চেয়ে ৩৫,০৯৩টা বেশি ভোট গণনা করা হয়েছে, এবং ৩৬২টা আসনে ৫,৫৪,৫৯৮টা ভোট কম গণনা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রথম ধাপের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে ১১ দিন এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত সময় নিয়েছে। এমনকি চণ্ডীগড়ের মতো ছোট আসনেও চূড়ান্ত সংখ্যা প্রকাশ করতে পাঁচ দিন লেগেছে, যেখানে প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ভোটের মধ্যে ৫.১৮ শতাংশ অমিল ছিল। এই অস্বাভাবিক দেরি আর গরমিলের কোনও বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা কমিশন দিতে পারেনি। পাঁচ কোটি ভোটের এই বিশাল গরমিল কোনও সাধারণ প্রশাসনিক ত্রুটি হতে পারে না। এটা নিশ্চিতভাবেই এক বড়সড় জালিয়াতি। যদি এই ৫ কোটি ভোটের গরমিল নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে, তাহলে আগামী নির্বাচনগুলোতে এই সংখ্যা ১০ কোটি বা ২০ কোটিও হতে পারে। এটা নির্বাচনকে নামমাত্র গণতন্ত্রের আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করবে, যেখানে মানুষের দেওয়া ভোটের কোনো মূল্য থাকবে না। মানে কাগজে কলমে এক গণতন্ত্র তো আছে, কিন্তু আসলে তা অনুপস্থিত।

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হবার আগে রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। কিন্তু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের খসড়া তালিকায় এই সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০-এ। মানে প্রায় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার নাম স্রেফ খসড়া স্তরেই ছেঁটে ফেলা হয়। তারপরেই জ্ঞানেশ বাবু সামনে আনলেন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ফলে ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারকে ‘বিচারাধীন’ বা ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ তালিকায় ফেলে দেওয়া হল। এরপরে বিচার প্রক্রিয়াটার মধ্যেও মজার ব্যাপার হল সুপ্রিম কোর্টের এক নির্দেশ, যে পশ্চিমবঙ্গের এই বিশাল সংখ্যক মামলার তাড়াতাড়ি মেটানোর জন্য ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগ করা হবে। প্রশ্ন ওঠা তো স্বাভাবিক যে, ওড়িশা বা ঝাড়খণ্ডের বিচারকরা কি বাংলার আঞ্চলিক নাম, পদবি, পদবির জটিলতা ইত্যাদি আদৌ বুঝতে পারবেন? কোর্ট যুক্তি দিয়েছিল যে, ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি থাকা রাজ্য বলেই তারা কিছুটা বুঝতে পারবেন। এরপরে যা হবার তাই হয়েছে, ৬০ লক্ষ বিচারাধীনের বিচার হয়েছে, তথ্য জানা যাচ্ছে, যে কমসম করে সেখানেও বাদ পড়েছেন ২৭ লক্ষ। কেবল নাম বাদ দিয়েই তো হবে না, ভোটটাও তো করাতে হবে তাই ১৫ মার্চ ২০২৬-এ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার ক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ আমলাদের সরিয়ে দেওয়া হল। তালিকায় ছিলেন মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা রাজ্য পুলিশের (ডিজিপি) পীযূষ পাণ্ডে। এর কদিন পরেই শুরু হয় জেলা স্তরের সাফাই অভিযান। একের পর এক জেলা শাসক পুলিশ সুপারদের সরিয়ে কমিশন তাদের পছন্দের আধিকারিকদের বসাতে থাকে। এবারে ওসিদের বদল চলছে, এবারে নিশ্চই হাবিলদারদের পালা আসবে। মানিনীয় জ্ঞানেশ বাবু, এই আমলা দামলা সরিয়ে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না। নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দিয়ে একজন নতুন মুখ্যমন্ত্রী না বসাতে পারলে আপনার ইচ্ছেপূরণের কোনও চান্স নেই, আর সেটা করার ধক আপনার নেই। এই আমলা সরানো আসলে চমকানো, ধমকানো, সঙ্ঘি জ্ঞানেশ কুমারের ধারনা এসব করেই তিনি প্রভুদের সেবা করছেন। না করছেন না, উলটে জেনে রাখুন এই প্রত্যেকটা পদক্ষেপ ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে যাবে ভোটের বাক্সে।

ইতিমধ্যেই এতকিছুর পরেও ওই গোদি মিডিয়ার সমীক্ষাও এ বাংলাতে বিজেপিকে ১১৫-র বেশি দিতে পারছে না। হ্যাঁ, মানুষ দেবে ভোট, আমলারা নয়, মানুষের কাছে যত স্পষ্ট হবে এই অগণতান্ত্রিক চেহারা, তত ক্ষোভ দানা বাঁধবে, হ্যাঁ, পাঁচ বছর পরে সাত রাজার ধন এক মানিক এই ভোট দেবার অধিকার নিয়ে মানুষ বড্ড সেনসেটিভ, ছলে বলে কৌশলে সেই ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে কপালে দুঃখ আছে। আসলে ওনারা বুঝতেই পারছেন না যে, ঠিক কী করলে মমতা হারছেই, তৃণমূল হারছেই এরকম একটা আবহাওয়া তৈরি করা যাবে, সেই হাওয়াটা তৈরি করা যাচ্ছে না, ওনারা রোজ ধ্যাড়াচ্ছেন, ফর্ম সিক্স দিয়ে সমস্ত হিসেব গুবলেট করার তালে ছিলেন সেটাও ধেড়িয়েছেন। সব চলছে সেই দিল্লি প্রভুদের ইচ্ছায়, তাদের নির্দেশেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, তাদের নির্দেশেই বিচারাধীন, তাদের নির্দেশেই ঢালাও বদলি, তাদের নির্দেশেই নির্বাচন ঘোষণার আগে থেকেই রুট মার্চ, এবং তাকিয়ে দেখুন সেই পুরাতন অনুগত ভৃত্যের মতোই নির্বাচন কমিশন সেসব নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন কিন্তু সমস্যা হল মানুষকে নিয়ে, ভোটারকে নিয়ে, রাজ্যের ভোটারদের বাদ দিয়ে বাইরে থেকে ভোটার আমদানি করেই একমাত্র ওই দখলদারি সম্ভব, না হলে সম্ভব নয়। এবং আরও বড় সমস্যা হল এবারে এত কিছু করার পরেও যখন দেখবেন সেই হিসেব মিলিলো না, তখন পরের নির্বাচনে করবেন টা কী? সব অস্ত্র তো বার করে ফেলেছেন, এর পরের বার প্রস্তর যুগে ফিরে যেতে হবে।

দেখুন আরও খবর:

Latest News

প্রথম দফায় ‘হেভিওয়েট’ লড়াই! ১৫২ আসনে কতজন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ? দেখে নিন একনজরে

কলকাতা: শুরু হল নীলবাড়ির লড়াই। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ (First Phase Polling) শুরু...

More Articles Like This