ওয়েব ডেস্ক: হিজাব চলবে কিন্তু তিলক নয়! লেন্সকার্টের (Lenskart) তরফ থেকে নাকি এমনই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সংস্থার তরফে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে এমন দাবি করেছেন এক জনপ্রিয় মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তারপর শুরু হয় জোড় বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন সংস্থার প্রধান পীযূষ বনশল (Piyush Bansal)। তিনি জানিয়েছেন, এই দাবি ভুয়ো ও ভিত্তিহীন।
সম্প্রতি এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার লিখছেন, লেন্সকার্ট প্রধান তাঁর সংস্থার কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছেন বোরখা পরে কর্মক্ষেত্রে আসা যাবে। কিন্তু কোনওরকম তিলক বা টিপ পরা যাবে না। যে সংস্থা ভারতের আর যেখানে অধিকাংশ কর্মীই হিন্দু! সেই সংস্থায় রয়েছে এমন নীতি! তিনি আরও দাবি করেন, সংস্থার পোশাক সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা তাঁর কাছে রয়েছে। পোস্টে এই সংক্রান্ত একটি লিঙ্কও শেয়ার করেন তিনি। এরপরই বিতর্কের ঝড় ওঠে।
আরও পড়ুন: আজ থেকে সংসদে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন, মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশকে স্বাগত বিরোধীদের
Hi, all. I’ve been seeing an inaccurate policy document going viral about Lenskart.
I want to speak directly that this document does not reflect our present guidelines.
Our policy has no restrictions on any form of religious expression, including bindi and tilak, and we…
— Peyush Bansal (@peyushbansal) April 15, 2026
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন পীযূষ। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, অনলাইনে যে নথি শেয়ার করা হয়েছে তা সংস্থার বর্তমান নির্দেশিকার সঙ্গে মিলছে না। লেন্সকার্টের নীতিমালায় ধর্মীয় আচার-আচরণ এবং মতপ্রকাশের উপর কোনও গাইডলাইন নেই।’ তিনি আরও বলেন, “টিপ কিংবা তিলক পরা নিয়েও কোনও বিধিনিষেধ নেই। আমরা আমাদের সংস্থার নির্দেশিকা বদল করতে থাকি।
পীযূষের মতে, “আমাদের পলিসিতে কোনও ভুলত্রুটি ধরা পড়লে, তা সংশোধন করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা পরিবর্তনও করা হয়। লেন্সকার্ট ভারতে, ভারতীয়দের হাতে তৈরি ও ভারতীয়দের জন্য তৈরি একটি ব্র্যান্ড। তিনি আরও বলেন, গোটা দেশজুড়ে আমাদের হাজার হাজার কর্মী রয়েছেন, যাঁরা প্রতিদিন গর্বের সঙ্গে তাঁদের ধর্ম ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে চলেছেন। আমরা কখনও আপোস করি না এবং করবও না।”
