ওয়েব ডেস্ক : থাইল্যান্ডের (Thailand) একটি স্কুলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় সামনে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে নেমে পুলিশ (Police) জানতে পেরেছে, স্কুলে হামলা চালানোর আগে নিজের দাদু ও ঠাকুমাকে গুলি করে খুন করেছিল অভিযুক্ত নাবালক। এরপর পরিবারেরই একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় সে। হামলায় তিন শিক্ষক ও তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
পুলিশ (Police) জানিয়েছে, হামলার পর অভিযুক্ত পড়ুয়া আত্মঘাতী হয়। কেন সে এই হামলা চালাল এবং কী কারণে নিজের দাদু-ঠাকুরমাকে হত্যা করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছে।
আরও খবর : হাউথিদের ভয়াবহ হামলায় নিহত ৩০ ইয়েমেন সেনা, মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে অনেকেই গুলির শব্দকে বাজির আওয়াজ বলে মনে করেছিলেন। পরে এক শিক্ষক বাইরে বেরোতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা স্কুলে। পড়ুয়ারা প্রাণ বাঁচাতে কেউ বেঞ্চের নীচে, কেউ দরজার আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। শিক্ষকেরা ক্লাসরুমের দরজা বন্ধ করে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদে রাখার চেষ্টা করেন।
পুলিশের দাবি, হামলায় নিহতদের মধ্যে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সি পড়ুয়ারাও রয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ঘটনার নেপথ্যের কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
