37.5 C
Kolkata

দিল্লি রওনা ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদরা, ‘২০ নয়, আমরা ২২ জন’! জল্পনা উসকে কাকলির দাবি

Must Read

কলকাতা: লোকসভায় (Lok Sabha) তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অন্দরের দ্বন্দ্ব নতুন মোড় নিতে চলেছে। সোমবার সংসদে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের আগে রবিবার দিল্লির (Delhi) উদ্দেশে রওনা দিলেন দলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের একাধিক সাংসদ। আর তার আগেই বিস্ফোরক দাবি করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। তাঁর কথায়, বিদ্রোহী শিবিরে সাংসদ সংখ্যা ২০ নয়, বেড়ে হয়েছে ২২। ফলে আরও দুই সাংসদের যোগদান নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন বিদ্রোহী সাংসদরা। একটি সম্ভাবনা হল, তাঁরা আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়ার আবেদন জানাতে পারেন। আবার অন্য একটি সম্ভাবনা, তাঁরা নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক দাবি তুলতে পারেন।

আরও পড়ুন: বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা, কলকাতার আবহাওয়া কেমন থাকবে?

সেক্ষেত্রে লোকসভায় দলের নেতা পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। একই সঙ্গে মুখ্য সচেতক পদে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে বহাল রাখার আবেদনও জানানো হতে পারে। পাশাপাশি বিদ্রোহী সাংসদদের বসার আসন বিরোধী বেঞ্চ থেকে সরিয়ে এনডিএ সদস্যদের কাছাকাছি বরাদ্দ করার দাবিও উঠতে পারে বলে সূত্রের খবর।

সোমবারের কর্মসূচির আগে রবিবার দিল্লিতে নিজের বাসভবনে বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তার আগে একটি ঘরোয়া বৈঠকে আগামী দিনের রণকৌশল চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিন সকাল থেকেই একে একে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিতে দেখা যায় একাধিক সাংসদকে। বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকলেও মালা রায়, দেব বা সায়নী ঘোষ কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।

তবে কাকলির দাবি ঘিরেই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা। প্রথমে প্রকাশ্যে আসা চিঠিতে ১৯ জন সাংসদের সই ছিল। সেই তালিকায় ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল এবং ইউসুফ পাঠানসহ মোট ১৯ জন।

এরপর শনিবার বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২০। কিন্তু কাকলির দাবি অনুযায়ী সংখ্যা যদি ২২ হয়ে থাকে, তাহলে সেই অতিরিক্ত দুই সাংসদ কারা, তা নিয়েই এখন তৃণমূলের অন্দরে তীব্র কৌতূহল।

অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা এবং সাজদা আহমেদকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ শিবিরের অংশ বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে সোমবারের পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

Latest News

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ব্যারাকপুর-২ পঞ্চায়েতের সহ-সভাপতি

ওয়েব ডেস্ক : ব্যারাকপুর (Barrackpore) মহকুমায় চাঞ্চল্য। তোলাবাজি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ব্যারাকপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহ-সভাপতি শুকুর আলী...

More Articles Like This