পিএম কেয়ার্স নিয়ে তদন্তের আর্জি খারিজ লোকপালের

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : পিএম কেয়ার্স তহবিলের (PM CARES Fund) আর্থিক লেনদেন এবং ট্রাস্টিদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবিতে দায়ের হওয়া অভিযোগ খারিজ করে দিল লোকপাল (Lokpal)। দুর্নীতি দমন আইনের আওতায় অপরাধের প্রাথমিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় বিবরণ অভিযোগে তুলে ধরা হয়নি বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমনকারী এই সংস্থা। তবে অভিযোগকারী চাইলে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ-সহ নতুন করে পূর্ণাঙ্গ অভিযোগ জমা দিতে পারবেন। সেই আবেদন নিয়ম মেনে পেশ করা হলে তা বিবেচনা করা হবে বলেও জানিয়েছে লোকপাল।

পিএম কেয়ার্স তহবিলের (PM CARES Fund) পদাধিকারবলে ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। অভিযোগকারীর দাবি ছিল, তহবিল পরিচালনা এবং অনুদান সংগ্রহের ক্ষেত্রে যুক্ত সরকারি আধিকারিক ও পদাধিকারবলে ট্রাস্টিরা নিজেদের সরকারি পদের অপব্যবহার করেছেন। তহবিলে অনুদান সংগ্রহ, পরিচালনা এবং অর্থের ব্যবহারে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।

আরও খবর :  রেল কাউন্টারে টিকিট কাটলেও মিলবে ১০ লক্ষ টাকার বিমা!

২০২০ সালের ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করে অভিযোগকারী তদন্তের দাবি জানান। ওই নির্দেশিকায় পিএম কেয়ার্স তহবিল গঠনের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এই তহবিলে দেওয়া অনুদানকে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খরচ হিসেবে গণ্য করার বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্য ছিল, সিএসআর অনুদানের ক্ষেত্রে কোনও সরকারি আধিকারিক নিজের পদ, সরকারি প্রতিনিধিত্ব, প্রশাসনিক পরিকাঠামো কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম ব্যবহার করে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

পাশাপাশি, পিএম কেয়ার্স তহবিলে বিদেশি অনুদান জমা পড়েছিল কি না, সেই অনুদান গ্রহণের আইনি ভিত্তি কী এবং বিদেশি অনুদান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের ভূমিকা কী ছিল, তা যাচাই করারও আবেদন জানানো হয়।

লোকপালের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ এম খানউইলকরের নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ জানায়, অভিযোগকারীর হলফনামা সম্পূর্ণ নয়। তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করার মতো যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। লোকপালের পর্যবেক্ষণ, অভিযোগকারীর দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে নিজস্বভাবে অপরাধের উপাদান বা প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করার দায়িত্ব লোকপালের নয়। তাতে এমন কিছু তথ্য বা সিদ্ধান্ত ধরে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা অভিযোগকারী নিজেই স্পষ্ট করে উল্লেখ করেননি। এই ধরনের ভিত্তিহীন ও দিশাহীন অনুসন্ধান এড়ানো প্রয়োজন বলেও জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগ খারিজ হলেও নতুন করে আবেদন জানানোর পথ বন্ধ করেনি লোকপাল। প্রয়োজনীয় তথ্য, নির্দিষ্ট ঘটনা এবং দুর্নীতি দমন আইনের আওতায় অপরাধের উপাদান উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ অভিযোগ জমা দিতে পারবেন আবেদনকারী। সেই অভিযোগ যথাযথভাবে পেশ করা হলে আগের আবেদন বা বর্তমান সিদ্ধান্তের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে তা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে লোকপাল।

Latest News

তিরঙ্গা মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে দিল্লি পুলিশ

ওয়েব ডেস্ক : তিরঙ্গা মিছিলের আগে নতুন করে উত্তেজনা দিল্লিতে (Delhi)। ককরোচ জবতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijeet...

More Articles Like This