নেপালে হঠাৎ এই দুর্যোগের আসল কারণ কী জানেন?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : নেপালে (Nepal) ভয়াবহ হড়পা বানে (Flood) বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজ চলাকালীন আরও বেশ কিছু দেহ উদ্ধার হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৩২ হয়েছে। কোশী ও ত্রিশূলী নদীর প্রবল স্রোতের মধ্যে এখনও প্রায় ৮০০ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই দুর্যোগের আসল কারণ কী?

এই বিপর্যয়ের অন্যতম বড় প্রশ্ন, উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের খবর না থাকা সত্ত্বেও এত দ্রুত কীভাবে তৈরি হল এমন ভয়ঙ্কর জলস্রোত? বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হিমালয়ের অস্থিতিশীল পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এর পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এই ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

নেপালের (Nepal) বিদেশমন্ত্রী শিশির খানালের বক্তব্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের প্রভাবে কোনও এলাকায় বড় ধরনের ধস নেমে নদীর গতিপথ আটকে যেতে পারে। এর ফলে তৈরি হতে পারে প্রাকৃতিক জলাধার। পরে জমে থাকা জলের প্রবল চাপে সেই বাধ ভেঙে গেলে মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ হড়পা বানের সৃষ্টি হতে পারে।

আরও খবর : নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে মৃত ১৫৭, নিখোঁজ ৭৫০-র বেশি

কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের পর্যবেক্ষণেও একই ধরনের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। তাদের মতে, নেপালের দিকে পাথর ও বরফের বড় ধস নেমে লেন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে থাকতে পারে। পরে সেই জল আচমকা নেমে এসে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি তৈরি করে থাকতে পারে।

গবেষকদের মতে, হিমালয়ের সরু উপত্যকায় ভূমিধস বা তুষারধসের কারণে নদী আটকে গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল জল জমতে পারে। সেই প্রাকৃতিক বাধ ভেঙে গেলে কাদা, পাথর ও জলের স্রোত অত্যন্ত দ্রুতগতিতে নিচের দিকে নেমে আসে। পাশাপাশি হিমবাহ গলে তৈরি হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার বড় ঝুঁকি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের আরও আশঙ্কা, এই ধরনের বিপর্যয় আগাম শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। সাধারণত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বন্যার সতর্কতা দেওয়া হয়। কিন্তু বৃষ্টি ছাড়াই যদি ভূমিধস বা প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে জল নেমে আসে, তাহলে মানুষের হাতে সতর্ক হওয়ার সময় থাকে খুবই কম।

Latest News

ইঞ্জিনে গোলমাল, মাঝআকাশে বিপদ! ১৮৬ যাত্রী নিয়ে চেন্নাইয়ে জরুরি অবতরণ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের

ওয়েব ডেস্ক : মাঝআকাশে ইঞ্জিনে সমস্যা। ১৮৬ জন যাত্রীকে নিয়ে জরুরি অবতরণ করতে হল মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের (Malaysia Airlines) একটি...

More Articles Like This