কলকাতা: এবার সীমান্তে ‘অনুপ্রবেশ’ রুখতে কাঁটাতার বসানো নিয়ে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সীমান্ত সুরক্ষার লক্ষ্যে ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া শুরু আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে। নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। সোমবার নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক (Suvendu Adhikari Cabinet Meeting) করলেন শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ১৪ তলার ঘরে এই বৈঠকটি চলছে। এই বৈঠকে রয়েছেন শনিবার শুভেন্দুর সঙ্গেই মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রমাণিক। তাঁদের দফতর অবশ্য এখনও বন্টন করা হয়নি। ছিলেন বেশ কয়েকটি দফতরের সচিব এবং আধিকারিকেরাও।মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা প্রথম ক্যাবিনেটের বৈঠক করেছি। মন্ত্রিসভায় আমার পাঁচজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতীর্থ ছিলেন। ডবল ইঞ্জিন সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে। প্রথম ক্যাবিনেটে ৬টি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
দীর্ঘদিন বাদে ভয়মুক্ত, অবাধ নির্বাচন দেখল পৃথিবীর মানুষ। ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল, প্রার্থী সকলকে কৃতজ্ঞতা জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, যাঁদের আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেই ৩২১ জনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে সকলের দায়িত্ব নিলাম। রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। সীমান্ত রক্ষায় ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘সীমানা সুরক্ষিত করতে BSF-কে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু হবে আজ থেকেই। ৪৫ দিনের মধ্যে BSF-কে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার কাজ শেষ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের অনিচ্ছা এর জন্য একটা নির্দিষ্ট ভোটার কে বাঁচাতে জমি অধিগ্রহণ করতে দেয়নি।এরা জমি রেডি করে রেখেছে। Bsf যতটা চেয়েছে ততটাই পাবে। আগের সরকার এর মতো আলপটকা প্রশ্নের উত্তর এ যাবে না।
আরও পড়ুন: নবান্নে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, করবেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
এছাড়াও শুভেন্দু জানান, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হলাম রাজ্যের আইপিএস, আইএএসরা কেন্দ্রের কোনও ট্রেনিংয়ে অংশ নিতে পারতেন না। এবার থেকে তাঁরা পারবেন।পাঁচ বছর এ রাজ্যে বেকার যুবক যুবতীদের রাজ্য সরকারের শূন্য পদে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের সীমা বাড়ানো হল। এছাড়াও জনগণনার জন্য অফিস অফ রেজিস্টার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জনগণনার জন্য মিনিস্ট্রি অফ হোমিওপেয়ার্স থেকে একটি অর্ডার পাঠান হয়। সেটি ফেলে রাখা হয় কার্যকরী করা হয়নি। এ রাজ্যে জনগণ প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা চালিয়েছিল বিগত সরকার।আজ থেকেই রাজ্যে জনগণনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল৷ আমরা মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর কেন্দ্রের নিয়ম মেনে এই প্রক্রিয়া কার্যকর করলাম৷ ভরসা আমাদের উপর রাখুন, আমরা ঠিক পথে চলব৷
