ওয়েব ডেস্ক : প্রয়াত অভিনেতা, বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাসগুপ্ত (Biplab Dasgupta)। জানা গিয়েছে প্রবীণ এই শিল্পী বর্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এর জন্য ভর্তি ছিলেন হাসপাতালেও। তবে শেষ রক্ষা হল না। শুক্রবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫।
মূলত, দু’দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রাবীণ এই শিল্পী। ২০০৪ সালে ‘শ্যাডোজ অফ টাইম’ নামে একটি সিনেমা প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ছবি থেকে অভিনয় জগতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। ফেলুদা (২০১৭), বাইশে শ্রাবণ (২০১১) এবং গুমনামি (২০১৯)-র মতো একাধিক ছবিতে কাজ করেছিলেন অভিনেতা (Biplab Dasgupta)। এছাড়া ২০১৯ সালে ‘দেবতার গ্রাস’ নামে একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। সেই ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং নাসিরুদ্দিন শাহের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি।
আরও খবর : মস্কোর রেড কার্পেটে ‘বেনারসি প্রিন্সেস’, বাংলার ঐতিহ্যে নজর কাড়লেন ভাবনা
তবে প্রবীণ শিল্পীর প্রয়াণে সেনা পাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এদিকে তাঁর প্রয়াণে শোকবিহ্বল স্ত্রী রুমা দাশগুপ্ত এবং কন্যা প্রিয়ম দাশগুপ্ত। মূলত, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বিপ্লব দাসগুপ্ত (Biplab Dasgupta)। মাঝে একটা বড় সময় তাঁকে পর্দায় দেখা যায়নি। সিনেমা, ধারাবাহিক কিংবা নাটকের মঞ্চেও তাঁর অনুপস্থিতি প্রকট হয়ে উঠেছিল। তবে এদিন তিনি পাড়ি দিলেন এক অজানা জগতে। বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাশগুপ্তের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন দেবদূত ঘোষ, জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অভিনেতারা।
প্রসঙ্গত, যাদবপুর থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করেছিলেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। এর পর সাহিত্য, নাট্যজগৎ ও চলচ্চিত্র দুনিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন তিনি। চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকলেও স্কুল শিক্ষক হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এর পর ভয়েস-ওভার আর্টিস্ট এবং তার পরে বিজ্ঞাপন জগতেও দীর্ঘদিন কাজ করেন তিনি। একটা সময়ে অভিনয়কে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন বিপ্লব দাসগুপ্ত।
দেখুন অন্য খবর :
