বিদ্যুৎ সংকটে নাজেহাল বাংলাদেশ, রাত ৮টার পর বন্ধ দোকান-বাজার! সাহায্যের জন্য ভারতের দ্বারস্থ ঢাকা

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে কার্যত নাজেহাল বাংলাদেশ (Bangladesh)। রাজধানী ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ থাকছে না। কোথাও কোথাও দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে শপিং মল, বাজার ও দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তরিক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান অবশ্য এই নির্দেশের বাইরে রাখা হয়েছে।

চাহিদা ও জোগানের বিপুল ব্যবধানই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন ১৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছতেও সমস্যায় পড়ছে। মূল সমস্যা জ্বালানি, বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে প্রতিদিন ১০০ কোটি ঘনফুটেরও বেশি গ্যাস প্রয়োজন হলেও বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। এলএনজি সরবরাহে ঘাটতি এবং সমুদ্রের খারাপ আবহাওয়ার কারণে কয়েকটি জাহাজ টার্মিনালে গ্যাস খালাস করতে না পারায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

আরও খবর : পরিবারের জন্য বড় সিদ্ধান্ত, অগস্টের শেষে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রের পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট

দীর্ঘদিনের লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। দেশের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ দফতরের কার্যালয় ও পরিকাঠামোয় হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সৈয়দপুর, নীলফামারি ও কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর মিলেছে। পরিস্থিতির জেরে বিদ্যুৎ সমবায় সংস্থাগুলি গ্রিড, সাবস্টেশন ও অফিসে পুলিশি নিরাপত্তা চেয়েছে। বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে কৃষি, চিংড়ি চাষ, পোশাক শিল্প এবং অন্যান্য কলকারখানাতেও। বিদ্যুৎ না থাকায় চিংড়ি চাষে জলের অক্সিজেনের মাত্রা কমে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদেরও ডিজেল জেনারেটরের পিছনে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট কাটাতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের (Bangladesh) জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের আবেদন জানানো হয়েছে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ডিজেল চাওয়া হয়েছে। ১৫ বছরের চুক্তি অনুযায়ী ভারত প্রতি বছর বাংলাদেশকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করে। চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিলেও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টনের বেশি ডিজেল পাঠিয়েছিল ভারত। তবে দীর্ঘমেয়াদে আমদানি নির্ভরতা কমানোই বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

Latest News

দায়িত্ব পালন না করলে থানার সব পুলিশকে পশ্চিমবঙ্গর শেষপ্রান্তে ট্রান্সফার করব: প্রধান বিচারপতি

ওয়েব ডেস্ক : রায়গঞ্জ থানার পুলিশ চিকিৎসকের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আশ্চর্য! ওই...

More Articles Like This