29 C
Kolkata

মণিপুরী শিল্পীকে ‘মোমো-চিঙ্কি’ বলে কটাক্ষ! গর্জে উঠলেন অক্ষয় কুমার

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: ‘মোমো’, ‘চিনা’ বা ‘চিঙ্কি’ বলে বিদ্রুপ আর নয়! নর্থ-ইস্ট মানুষদের প্রতি অশালীন আচরণ কড়া জবাব দিলেন অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি হোক কিংবা যে কোনও পরিসরে প্রায়শই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির বাসিন্দাদের বর্ণবৈষম্যের শিকার হতে হয়।জাতীয় টিভির মঞ্চ থেকে নর্থ-ইস্ট (Northeast Indians) ভারতের মানুষদের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষের (Racism) প্রতিবাদ করলেন অক্ষয় কুমার। খিলাড়ি বর্তমানে ‘হুইল অফ ফরচুন’ রিয়ালিটি শোয়ের সঞ্চালনা নিয়ে ব্যস্ত। আর সেই শোয়েই উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষদের হয়ে সরব হলেন খিলাড়ি।

অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে তিনি তাঁর মেকআপ শিল্পী কিমকে আমন্ত্রণ জানান, যিনি মণিপুরের বাসিন্দা। সেই সময় এক প্রতিযোগী নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ঘটনার সূত্রপাত হয় শো-এর এক প্রতিযোগীর বক্তব্যে। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আসা ওই প্রতিযোগী জানান, নিজের চেহারার কারণে মুম্বইয়ের রাস্তায় তাঁকে প্রায়ই বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের শিকার হতে হয়। তাঁকে ‘করোনা’ বা ‘চিনা’ বলে কটাক্ষও করা হয়েছে। মণিপুরের বাসিন্দা কিম জানান, বছরের পর বছর অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তাঁকে ‘চিঙ্কি’ বা ‘মোমো’-র মতো কুরুচিকর ডাক শুনতে হয়। এই কথা শোনার পর অক্ষয় সঙ্গে সঙ্গে কিমকে ফোন করেন এবং তাঁকেও নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে বলেন।

আরও পড়ুন: অরিজিতের জিয়াগঞ্জের বাড়িতে সিনেইন্ডাস্ট্রির দুই তারকা

জাতীয় টেলিভিশনের মঞ্চেই অক্ষয়ের স্পষ্ট বার্তা, “ওঁরাও আমাদের মতোই ভারতীয়।”আমি, তুমি এবং এখানে যারা ব্যবসা করছে, সবাই সমানভাবে ভারতীয়।” একইসঙ্গে তিনি কার্গিল যুদ্ধে উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন এবং বলেন, তাঁরাও দেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন। দীর্ঘ তিন দশকের কেরিয়ারে অক্ষয় বরাবরই সামাজিক ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন, এবারও টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর এই মানবিক রূপ দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা।

Latest News

চরম ভর্ৎসনা অভিষেককে, ভয়েস টেস্ট দিতে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) চরম ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court), ডিজে মামলায় ভয়েস টেস্ট দিতে নির্দেশ কলকাতা...

More Articles Like This