ওয়েবডেস্ক- বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly 2026) নিয়ে অস্থির বাতাবরণ। এই পরিস্থিতিতে ফের রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । কালই বঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির। এছাড়াও কলকাতায় দুটি রোড শো করতে পারেন তিনি। তাঁর সফরের আগেই এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ।
তিনি বলেন, এটা যেমন অদ্ভুত, তেমনই তাৎপর্যপূর্ণ যে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ কেবল নির্বাচন আসন্ন হলেই বাংলাকে মানচিত্রে স্থান দেন। তাঁরা মিথ্যের স্যুটকেস, ক্যামেরাম্যান ও টেলিপ্রম্পটারের দলবল নিয়ে বাংলায় আবির্ভূত হন, উদ্দীপনামূলক বক্তৃতা আর বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। আর তারপর, ব্যতিক্রম ছাড়াই, তাঁরা কোনও চিহ্ন না রেখেই উধাও হয়ে যান।
এদিন এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বলেন, উত্তরবঙ্গ যখন বন্যায় বিধ্বস্ত হয়, তখন তাঁরা কোথায়? যখন ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল বৈধ নাগরিকদের এনআরসি-র নোটিস দেয়? যখন প্রকৃত ভোটারদের হয়রানি, অপমান ও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়? যখন চা বাগানের শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের পাওনা দিতে অস্বীকার করে? যখন কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠাণ্ডা মাথায় মানুষ হত্যা করে?
আরও পড়ুন- ফর্ম ৭ নিয়ে বড় অভিযোগ শমীক ভট্টাচার্যের!
কোথাও না। কারণ তাঁরা কখনোই জনগণের জন্য ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন ভোটের জন্য। একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, প্রতিটি সংকটে, প্রতিটি মুহূর্তে, নিঃশর্তে এবং কোনও হিসাব-নিকাশ ছাড়াই। বাংলা-বিরোধী জমিদাররা বিনিময়ে কিছুই না দিয়ে আপনার ভোট দাবি করে। আমাদের মা-মাটি-মানুষ সরকার কোনও প্রতিদান না চেয়েই সেবা প্রদান করে।
It is as strange as it is revealing that Narendra Modi and Amit Shah seem to locate Bengal on the map only when elections are around the corner. They descend upon Bengal with their suitcases of lies, their entourages of cameramen and teleprompters, delivering rousing sermons and… pic.twitter.com/Gg3ct9h8n3
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 8, 2026
এটাই ছিল, আছে এবং সর্বদা আমাদের মধ্যেকার মৌলিক পার্থক্য থাকবে। আর ঠিক এই কারণেই নটবাড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কুমারগ্রামের মানুষ জোড়াফুলের প্রার্থী শৈলেন বর্মা, কৃষ্ণ দাস এবং রাজীব তিরকির ওপর আস্থা রাখবেন। তাঁরা তাঁদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন।

