ওয়েবডেস্ক- ভোটের (2026 Assembly Election) মুখে বেড়াতে গিয়েও শান্তি নেই। কমিশনের (Election Commission) তরফে একগুচ্ছ বিধিনিষেধের মধ্যের আরও একটি যুক্ত হল। সোমবার রাত থেকে দিঘা (Digha) , দিঘা মোহনা ও মন্দারমণি (Mandarmani) উপকূল থানার পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার শুরু হয়েছে। রাজ্যে ভোটের সময় ঘোরাফেরাতেও বিধিনিষেধ।
মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো পর্যটনস্থলি ছেড়ে পর্যটকদের ফেরার নির্দেশ জারি করেছে কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা আছে, বাইরের কোনও রাজনৈতিক নেতা-কর্মী থাকতে পারবেন না দিঘা সহ সেখানকার জনপ্রিয় স্থানগুলিতে। প্রথম দফা নির্বাচন পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ জারি থাকবে।
হোটেলগুলির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২১ তারিখ বিকেল থেকে ২৩ পর্যন্ত সেখানকার হোটেল, গেস্ট হাউসগুলিতে বাইরের কোনও ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
আরও পড়ুন- ডিউটিতে ফাঁকি, আড্ডায় ব্যস্ত! ‘হাইভোল্টেজ’ ভবানীপুরে ৩ ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাল কমিশন
২৩ তারিখ বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচন (First Round Election) । ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের সব কটি আসন। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুর, উদয়পুর, শঙ্করপুর সহ সবকটি জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। সারাবছরই পর্যটকেরা আসে। বর্তমানে রাজ্য সরকারে উদ্যোগে দিঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি হওয়ার পর ভক্তদের আনাগোনা বেড়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছটা থেকে আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি-সহ জনপ্রিয় পর্যটকস্থলগুলিতে অন্য জেলার বাসিন্দা কেউ হোটেলে থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি থাকতে দেওয়া হবে না রাজনৈতিক দলের প্রচাররককেও।
এই নিয়ম লঙ্ঘন করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩ সালের ২২৩ নম্বর ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর সোমবার রাত থেকে দিঘা, দিঘা মোহনা এবং মন্দারমণি উপকূল থানার পক্ষ মাইকে মাইকে প্রচার শুরু হয়েছে।
পর্যটকদের বিকেল পাঁচটার মধ্যে এই সব স্থান ছেড়ে দিতে বলা হচ্ছে। কমিশন সূত্রে খবর, পর্যটকদের আড়ালে অনেক সময় বহিরাগতরা ঢুকে অশান্তি, গোলযোগ তৈরি করে, উসকানি দেয়, তা বন্ধ করতেই এই ব্যবস্থা। কারণ কমিশনের লক্ষ্য শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা।
