প্রয়াত পরিচালক রাজা সেন, ৭০-এ থামল দীর্ঘ পথ চলা

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : বাংলা বিনোদন দুনিয়ার আরও এক নক্ষত্রের পতন। প্রয়াত পরিচালক রাজা সেন (Raja Sen)। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ৭০ বছর বয়সে থেমে গেল তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের পথচলা।

১৯৫৫ সালের ১০ নভেম্বর কলকাতায় জন্ম রাজা সেনের (Raja Sen)। পরিচালনার জগতে তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়েছিল প্রথমে ছোটপর্দায়। দূরদর্শনের একাধিক ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পৌঁছে যান তিনি। সাহিত্যনির্ভর গল্পকে টেলিভিশনের উপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। ‘সুবর্ণলতা’ সেই তালিকার অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ, যা ১৯৯৭ সালে দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল।

আরও খবর : ‘তুমি আর বাঁচবে না!’ বিষধর সাপ, যজ্ঞ আর ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী, ‘গুহাকালী’তে কোন রহস্যের খোঁজে ঐন্দ্রিলা?

শুধু ধারাবাহিক পরিচালনাতেই থেমে থাকেননি রাজা সেন। তথ্যচিত্র নির্মাণেও তাঁর ছিল বিশেষ আগ্রহ। সংগীতশিল্পী সুচিত্রা মিত্রকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রের জন্য ১৯৯২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তাঁর তথ্যচিত্রের বিষয় হয়ে উঠেছিলেন।

পরবর্তীকালে বড়পর্দাতেও পরিচালকের আসনে দেখা যায় তাঁকে। ‘দামু’, ‘আত্মীয়-স্বজন’ ও ‘ল্যাবরেটরি’-র মতো ছবির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। একইসঙ্গে ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’, ‘আরোগ্য নিকেতন’, ‘সম্পর্ক’, ‘তারাশঙ্করের ছোটগল্প’ এবং ‘গল্পগুচ্ছ’-এর মতো টেলিভিশন কাজের মাধ্যমেও তিনি বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে দর্শকের যোগাযোগ আরও গভীর করেছিলেন।

দীর্ঘ কয়েক দশকের কর্মজীবনে টেলিভিশন, তথ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র—তিন মাধ্যমেই কাজ করেছেন রাজা সেন। বাংলা সংস্কৃতি ও সাহিত্যের নানা দিককে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরাই ছিল তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাঁর প্রয়াণে পরিচালক, অভিনেতা থেকে শুরু করে বাংলা বিনোদন জগতের বহু মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Latest News

১৩৩ রানে অল আউট, পাকিস্তান সেই অন্ধকারেই

ওয়েব ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেটের দুর্দশার কোনও অন্ত নেই। হেডিংলি, লর্ডস এবং তারপর এজবাস্টন, বাবর আজমদের (Babar Azam) ব্যাটিং দেখলে...

More Articles Like This