14.9 C
New York

মাত্র ৪ দিনেই মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস! যুদ্ধ জিতে গেছে ইরান! চাঞ্চল্যকর দাবি ইজরায়েলি সাংবাদিকের

Must Read

ওয়েবডেস্ক-  মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) যুদ্ধের আঁচ বাড়ছে। যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে (Internationally) তীব্র জল্পনা বাড়ছে। বিশেষ করে ইজরায়েল ও ইরানের সামরিক উত্তেজনার (Israel and Iran Tension) প্রেক্ষাপটে কিছু বক্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই যুদ্ধ নিয়ে মন্তব্য করেছেন ইজরায়েলি সাংবাদিক ও শান্তি আন্দোলনের কর্মী অ্যালন মিজরাহি (Israeli journalist and peace activist Alon Mizrahi)  তাঁর করা এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করেছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সাংবাদিক মিজরাহির দাবি, চলমান সংঘাতে ইরান এমনভাবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানছে যা অনেকের ধারণা বাইরে। তাঁর মতে কয়েকদিনের মধ্যেই ইরান আঞ্চলিক সামরিক সামরিক শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটাতে পারবে।

তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলি যেমন বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও সৌদি আরব ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং ব্যয়বহুল সামরিক স্থাপনাগুলির মধ্যে অন্যতম। বিপুল অর্থ ব্যয়ে এই তৈরি এই পরিকাঠামাগুলি এই সংঘাতের আহবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। মিজরাহির বক্তব্য অনুযায়ী, শত শত মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তৈরি রাডার ব্যবস্থা ও অন্যান্য সামরিক সামগ্রী কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়েছে। তার আরও দাবি, বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরো সামরিক ঘাঁটিখালি করে দেওয়া হয়েছে বা আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

এই অবস্থাকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে বিরল উল্লেখ করেছেন, এবং তুলনা টেনেছেন Pearl Harbor attack-এর মতো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে। তার অভিযোগ এই যুদ্ধের প্রকৃত চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে আসছে না। পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমে যুদ্ধের তথ্য আগের মতো প্রকাশ পাচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তার মতে,  ১৯৯১ সালের Gulf War-এর সময় যেমন প্রতিদিন টেলিভিশনে যুদ্ধের দৃশ্য দেখানো হত, এখন সেই রকম কিছু দেখানো হচ্ছে না, ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে ঠিক কী ঘটনা ঘটছে তা বোঝা যাচ্ছে না। মিজরাজির বক্তব্য, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা আশঙ্কা করে এই নিজেকে তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন-  কোন অস্ত্রে খতম খামেনেই, জানলে চমকে উঠবেন

দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূগর্ভস্থ সামরিক স্থাপনা,  ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং অস্ত্র ভান্ডার তৈরি হয়েছে। তার মতে এই ধরনের পরিকাঠামোকে ধবংস করা অতো সহজ নয়, এবং সেই কারণেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা এত দ্রুত ভেঙে ফেলা সম্ভব নয়।

ইরানের ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও প্রতিরক্ষা কাঠামো এমনভাবে তৈরি করা যে, সেখানে স্থল অভিযোগ করা সম্ভব নয়। বাইরের কোনও শক্তির পক্ষে বড় আকারে সেনা পাঠিয়ে ইরান দখল করা অতো সহজ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, পারস্য উপসাগরে Strait of Hormuz  অঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা যুদ্ধ অবস্থাকে আরও জটিল করতে পারে।

Latest News

স্বাধীনতার পর রেকর্ড ভোটদান বাংলায়! নির্বাচন শেষে কী বললেন জ্ঞানেশ কুমার?

কলকাতা: বিক্ষিপ্ত অশান্তি হলেও মোটের উপর শান্তিতে মিটল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Election 2nd Phase)।...

More Articles Like This