কাটোয়া-কাণ্ডে তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি, ঘটনাস্থলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা

Must Read

বর্ধমান: কাটোয়া (Katwa Train Fire) স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা প্যাসেঞ্জার ট্রেনে বগিতে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে (Katwa-Azimganj Passenger Train ) আগুন লাগার ঘটনায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত প্রক্রিয়া। রবিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পূর্ব রেলের পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল। আজ সোমবার সকাল থেকে ঘটনার স্থলে নমুনা সংগ্রহ করছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। বন্ধ কামড়ায়এই আগুন লাগাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ দুবছর ধরে অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় থাকা এই স্টেশনে রেনোভেশনের কাজ চলছিল। যেই দু’নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনটি দাঁড়িয়েছিল সেখানে ট্রেনটিতে বিদ্যুৎ সংযোজন ছিল না। যার ফলে শর্ট সার্কিট থেকে বা ব্যাটারি বক্স থেকে আগুন লেগে যাওয়ার কোন সম্ভাবনাই দেখছেন না তদন্তকারী দল। ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে নাকি, কিছু বহিরাগতদের আনাগোনা।

প্রাথমিক তদন্তে অনুমান এই আগুন শর্ট সার্কিট থেকে নয়। ভিতরের কোনও ত্রুটির কারণে নয় । তাহলে কী ঘটেছিল কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই যাত্রী ভরা ট্রেনে? তাহলে কি ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনে কি আগুন লাগানো হয়? ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। বাইরে থেকে অগ্নিসংযোগের হওয়ার অনুমান তদন্তকারী দলের। সূত্রের খবর, সন্দেহজনক কিছু গতিবিধি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ফুটেছে। সেই ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ চালাচ্ছে আরপিএফ এবং জিআরপিএফ। তবে এই কাটোয়া আজিমগঞ্জ ট্রেনটি পুরনো কোচ হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সম্পূর্ণ কামরাটি ভস্মভূত হয়ে যায়। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ভেতরে কোন দাহ্য বস্তু মজুত ছিল কিনা সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: ভোটের আগে বিরাট ধাক্কা বাম শিবিরে! দল ছাড়লেন CPIM-এর এই বড় নেতা

রবিবার ভোররাতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া রেলওয়ে স্টেশন-এর ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি রেলের বগিতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বগির একাংশ জুড়ে, যার ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।রেল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার পরদিন সকালেই এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে বিকেলে ঘটনাস্থলে আসেন ডিআরএম বিশাল কাপুর। তিনি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সোমবার সকালে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত বগিটিকে মূল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে রেলের থার্ড লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর পুরো বগিটিকে সবুজ চট দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, যাতে বাইরের কেউ ভিতরের দৃশ্য দেখতে না পারে এবং তদন্তের কাজ নির্বিঘ্নে চালানো যায়। সোমবার সকাল থেকে ঘটনার স্থলে নমুনা সংগ্রহ করছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করছে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় এখনও চাঞ্চল্য বজায় রয়েছে।

Latest News

রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

ওয়েব ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মানহানি মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন লোকসভার...

More Articles Like This