ওয়েব ডেস্ক: ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে এবং তিনি আত্মহত্যা করেছেন, এই অভিযোগে পঞ্জাবে এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালাল একদল পড়ুয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের কিছু অংশে আগুনও লাগানো হয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। পুলিশও ধর্ষণের ঘটনা অস্বীকার করেছে। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, এই অভিযোগ মিথ্যে, ভিত্তিহীন এবং সাজানো।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং ক্যাম্পাসে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রায় ২,০০০ শিক্ষার্থী ছাত্রীদের হোস্টেলের কাছে জড়ো হয়। শিক্ষার্থীরা একটি মহাসড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দিলে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে এবং এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালায়। তারা জানালার কাচ ও ফুলের টব ভাঙচুর করে, ইট-পাটকেল ছোড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন অংশে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন: ‘ভূতের’ গুজবে চিতকারা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল বিক্ষোভ, ভাঙচুর পুলিশের গাড়িতে
পুলিশ জানিয়েছে, চার-পাঁচ দিন আগে ক্যাম্পাসের কৃষি বিভাগের কাছে এক মহিলা আত্মহত্যা করেছেন। তবে তারা জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ধর্ষণের অভিযোগের সাথে ওই মহিলার মৃত্যুর কোনও যোগসূত্র নিয়ে কোন রকম অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহাসড়কটিকে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলে এবং এরপর তা আবার খুলে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বর্তমানে শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কাপুরথালার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এসএসপি) গৌরব তুরা।
