ওয়েব ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। কলিঙ্গপত্তনমের কাছ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশের পর উত্তর-পশ্চিমমুখী হয়েছে নিম্নচাপটি। এর জেরে অন্ধ্র উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব পড়েছে। বেশ কিছু জায়গায় গাছ উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা থাকছে।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ শুক্রবারও মেঘলা রয়েছে। সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া উপকূলবর্তীকয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
আরও খবর : কলকাতা-সহ সাত পুরসভায় ভোট নভেম্বরে! অক্টোবরের শেষেই বিজ্ঞপ্তি
উত্তরবঙ্গেও নিম্নচাপের প্রভাব কাটেনি। জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়িতে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও রবিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে। এদিকে শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ ৪৯.৯ মিলিমিটার।
অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির জেরে পশ্চিম সিকিমের রিম্বি গ্রামে ধস নেমে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়েছে বলে খবর। ইয়ুকসাম-তাশিডিং বিধানসভা এলাকার এই ঘটনায় একাধিক বাড়ি ও সরকারি আবাসন মাটির নীচে চাপা পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
