নেপালের হড়পা বান কি তবে সতর্কবার্তা? সিকিম-দার্জিলিংয়ে ‘জলবোমা’র আশঙ্কা কতটা বাস্তব?

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান (Himalaya Flash Flood) ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পূর্ব হিমালয়ে। প্রশ্ন উঠছে, এমন বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি কি হতে পারে সিকিম কিংবা দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়েও? পরিবেশবিদদের একাংশের মতে, সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে নেপালের ঘটনা এবং সিকিম-দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতিকে এক সূত্রে দেখার আগে প্রয়োজন নির্দিষ্ট তথ্য ও বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ।

সিকিমের উত্তরাঞ্চলে একাধিক হিমবাহ হ্রদ রয়েছে। ২০২৩ সালের তিস্তা বিপর্যয়ের পর সেই হ্রদগুলির উপর নজরদারি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। হিমবাহ হ্রদ ভেঙে আচমকা বিপুল জল নেমে এলে নীচের উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা হতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা, এই সমস্ত কারণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

আরও খবর : তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বান, ভেসে গেল গ্রাম ও নির্মাণ প্রকল্প

দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে আলাদা ঝুঁকি। পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিত নির্মাণ, রাস্তা সম্প্রসারণ এবং বনভূমির পরিবর্তনের ফলে অনেক এলাকায় ভূমিধসের প্রবণতা বেড়েছে। তিস্তা, রঙ্গীত-সহ বিভিন্ন নদীর জলস্তর অতিবৃষ্টিতে দ্রুত বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে পাহাড় ও ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে।

এদিকে তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তবে কোনও বাঁধে সামান্য ফাটল হলেই গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত বা বাংলাদেশ প্লাবিত হবে—এমন দাবি বৈজ্ঞানিক ভাবে সরলীকৃত। বিপদের মাত্রা নির্ভর করবে বাঁধের অবস্থান, জলাধারের পরিমাণ, ভাঙনের ধরন এবং নদীর প্রবাহের উপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন আগাম প্রস্তুতি। স্যাটেলাইট নজরদারি, হিমবাহ হ্রদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, নদীর জলস্তরের রিয়েল-টাইম তথ্য এবং দ্রুত সতর্কবার্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করাই পারে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে।

Latest News

ইঞ্জিনে গোলমাল, মাঝআকাশে বিপদ! ১৮৬ যাত্রী নিয়ে চেন্নাইয়ে জরুরি অবতরণ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের

ওয়েব ডেস্ক : মাঝআকাশে ইঞ্জিনে সমস্যা। ১৮৬ জন যাত্রীকে নিয়ে জরুরি অবতরণ করতে হল মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের (Malaysia Airlines) একটি...

More Articles Like This