ওয়েব ডেস্ক : ২৮ আগস্ট তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। তবে এ বছর প্রতিষ্ঠা দিবসের উদযাপনের চিত্র একেবারেই আলাদা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস দুই শিবিরে বিভক্ত বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একদিকে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির, অন্যদিকে রয়েছে বিদ্রোহী ঋতব্রত শিবির।
আদালতের নির্দেশে ঐতিহ্যবাহী মেয়ো রোডের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে কোনও পক্ষকেই সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি হয়েছে ক্যাথিড্রাল রোডে। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের কর্মসূচির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে রানি রাসমণি এভিনিউ।
আরও খবর : শনিবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি! সতর্কতা দক্ষিণের ৬ জেলায়, কোথায় রবিবার-সোমবারও চলবে বৃষ্টি?
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই পক্ষকেই দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে নিজেদের কর্মসূচি শেষ করতে হবে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দুই সভাস্থলেই একমুখী ট্রাফিক ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সকাল থেকেই ঋতব্রত শিবিরের সভাস্থলে মঞ্চ সাজানো এবং দলীয় পতাকা লাগানোর কাজ চলে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের একাংশের দাবি, তাঁদের কর্মসূচিই ‘আসল টিএমসিপি’-র প্রতিষ্ঠা দিবসের সমাবেশ। তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের (TMC) অভ্যন্তরীণ সমীকরণ এবং দুই শিবিরের পৃথক কর্মসূচি এবারের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসকে বাড়তি রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে। আগামী দিনে এই বিভাজনের প্রভাব সংগঠনের ওপর কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
