কলকাতা: গড়িয়াহাট রোডে (Gariahat Road) বেআইনি পার্কিং, অবৈধ হোর্ডিং ও সেতুর নীচের দখলদারি রুখতে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনা কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ছ’সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত জানতে চেয়েছে, গড়িয়াহাট এলাকায় বেআইনি পার্কিং, ফুটপাত দখল, অবৈধ ব্যানার-হোর্ডিং এবং সেতুর নীচে গড়ে ওঠা দখলদারি সরাতে প্রশাসন কী পরিকল্পনা নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘চ্যাটার্জি কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করলেন না কেন?’ একুশের মঞ্চ থেকে মমতাকে নিশানা ঋতব্রতর
শুনানিতে কলকাতা পুরসভার আইনজীবী জানান, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং বেআইনি পার্কিং বন্ধে পুরসভা ও পুলিশ নিয়মিত পদক্ষেপ করছে। তবে অভিযানে নামলেই বিভিন্ন মহল থেকে বাধা ও প্রতিবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রশাসনকে।
পুরসভার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে, যাতে কোনও প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে। একই সঙ্গে শহরের একাধিক সেতুর অবস্থা উদ্বেগজনক বলেও আদালতে জানানো হয়। সেতুর নীচের মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় সেখানে বসবাসকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই সরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
আদালতে আরও বলা হয়, পথচারীদের ফুটপাত ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। স্ট্রিট ভেন্ডার্স আইনের আড়ালে ফুটপাতে স্থায়ী নির্মাণ বা দখলদারি আইনসম্মত নয় বলেও পুরসভার দাবি।
যদিও মামলার আবেদনকারী সংগঠন সারা রাজ্যে একই ধরনের সমস্যা রয়েছে বলে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল, প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র গড়িয়াহাট এলাকার পরিস্থিতি নিয়েই রিপোর্ট তলব করেছে হাই কোর্ট।
