ওয়েব ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ (Pakistan Minister Khawaja Asif) কলকাতায় হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মালদার হরিশচন্দ্রপুর ও চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর সমর্থনে একটি রোড শো করেন অভিষেক। তারপর বক্তৃতা দেন। তখনই আক্রমণ করেন পারিস্তানকে। বলেন, ‘কাগজে খোয়াজা আসিফের নামটা লিখে রাখছি। যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের সরকার ক্ষমতায় আসবে সেদিন পাকিস্তানে ঢুকে মারব।’
কলকাতা আক্রমণের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের একটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছিলেন খোয়াজ। এই মন্তব্যের পরে কেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিশ্চুপ, তা নিয়ে সোমবার রাজনৈতিক সভা থেকে সমালোচনা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই বিষয়ে মালদার একটি রোড শো থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।অভিষেক বলেন, ‘পাকিস্তানের মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ কলকাতাকে আক্রমণের হুমকি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) নীরব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নীরব— আর প্রতিরক্ষামন্ত্রীও চুপচাপ। আমি এক টুকরো কাগজে খাজা আসিফের নাম লিখে রেখেছি। যে দিন দিল্লিতে কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সরকার ক্ষমতায় আসবে, সে দিন আমরা সরাসরি তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে উচিত শিক্ষা দেবো। ঘরে ঢুকে মারব!’
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকেও এই ইস্যুতে আক্রমণ করেন অভিষেক। বলেন, ‘আজ থেকে ২ দিন আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ কলকাতাকে হুমকি দিয়েছেন। অথচ প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুপ। অভিষেক বলেন, ‘পাকিস্তানে বসে, কলকাতা ওড়ানোর হুমকি দেবে, আর প্রধানমন্ত্রী এসে এখানে কোচবিহারে সভা করবে, আর বলবে তৃণমূলকে হঠাও!’ তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার না করে, বিএসএফ, সিআরপিএফ, ইন্ডিয়ান আর্মি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে স্বাধীনতা দেওয়া হোক, পাকিস্তানে গিয়ে লাহোর আর রাওয়ালপিন্ডি দখল করার।’অভিষেক বলেন, ‘মোদিই একমাত্র নেতা, যিনি দেশের ভিতরেই নিজের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী, নিরাপত্তা বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছেন, অথচ বিশ্বের অন্যান্য দেশ তাদের বাহিনীকে ব্যবহার করে দেশের বাইরের শত্রুদের মোকাবিলা করছে।’

