ওয়েব ডেস্ক: ফুটবলে কখনও কখনও কিছু গল্প যেন পূর্ণতা পেতে সময় নেয়। ২০১৭ সালে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে কলকাতার (Kolkata) যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলেছিলেন তরুণ ফেরান তোরেস (Ferran Torres)। প্রায় এক দশক পর সেই ফুটবলারই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে (FIFA World Cup Final 2026) স্পেনের ইতিহাসের অন্যতম নায়ক। অতিরিক্ত সময়ে তাঁর করা একমাত্র গোলেই আর্জেন্টিনাকে (Argentina) ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে লা রোহা।
বিশ্বকাপজুড়ে স্পেনের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ফেরান তোরেস (Ferran Torres)। ফাইনালেও সুযোগ পেয়ে নিজের কাজটা নিখুঁতভাবে করেন তিনি। নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। সেই গোলের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে স্পেন (Spain) শিবির।
আরও খবর : মেটলাইফে স্প্যানিশ ঝড়, মেসিকে থামিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন
ম্যাচ শেষে ফেরান তোরেস বলেন, এই গোল কোনও ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি গোটা স্পেনের মানুষের জন্য। সমালোচনার সময়ও তিনি নিজের উপর বিশ্বাস হারাননি বলেও জানান। তাঁর কথায়, কঠোর পরিশ্রমের ফলই শেষ পর্যন্ত মিলেছে। একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, মেসির মতো ফুটবলারকে সামনে রেখে ফাইনাল খেলা সহজ ছিল না, তবে দল নিজেদের পরিকল্পনায় অটল ছিল।
২০১৭ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপেও স্পেনের জার্সিতে নজর কেড়েছিলেন ফেরান তোরেস (Ferran Torres)। সেই আসরে কলকাতার যুবভারতীতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। যদিও সেবার শিরোপা জেতা হয়নি। তবে ২০২৬ সালে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তাঁর পায়ের গোলই স্পেনকে এনে দিল বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বজয়।
