কলকাতা: রাজ্যে পালাবদল।বিরোধী দলনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদে, এক সময়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে (Mamata Banerjee)র সহযোদ্ধা আজ মুখোমুখি দুই যুযুধান। বাংলার মবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া দিতেও গিয়েও দায়িত্বশীল মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ জানিয়ে নিলেন, তিনি সবার মুখ্যমন্ত্রী৷ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে রাজ্যের উন্নতিতে জোর দেবেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর প্রধান লক্ষ্য কী হবে সেকথা জানালেন এক্স হ্যান্ডেলে। সোশ্যাল পোস্টে তিনি লিখলেন, “উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, নারী সুরক্ষা, সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
শুভেন্দু বলেন, আমি কোনও বিতর্কিত কথা বলব না৷ আমি মুখ্যমন্ত্রী, আমি এখন সবার৷ আমি চাই শুভবুদ্ধির উদয় হোক৷ আমি শুধু বলব, যাঁরা এখনও সমালোচনা করছেন তাঁদের চৈতন্য হোক৷ বাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে৷ শিক্ষার মান হারিয়ে গিয়েছে, সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে৷ তিনি বলেন, “বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিকাশ কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনাতেই হবে। তারই আজকে শুভ সূচনা হল। রবি ঠাকুরকে প্রণাম জানিয়েই বাংলার দায়িত্বভার নিলাম।” তিনি ঘোষণা করেন, “আমি এখন মুখ্যমন্ত্রী। আমি এখন সকলের। আমি চাই শুভবুদ্ধির উদয় হোক।”তিনি লিখলেন, “সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এই সরকার পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ।নতুন মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, আসুন আমরা বাংলাকে নবনির্মাণ করি৷ অনেক দায়িত্ব৷ এখন এসব রাজনৈতিক কচকচানি, পরস্পরের সমালোচনা করার সময় নয়৷ আমরা শুধু এগিয়ে যাবো৷ বিবেকানন্দের কথায়, চরৈবেতি চরৈবেতি৷
আরও পড়ুন: আর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হবে তুমুল ঝড় বৃষ্টি ৮ জেলায় কমলা সতর্কতা
নবান্নেই বসতে চলেছে নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক!শপথগ্রহণের (Suvendu Adhikari Oath Ceremony) পর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই ঠিক হয়েছে, আগামী শুক্রবার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে নবান্নে।তার আগে সোমবার সমস্ত জেলার এসপি ও রাজ্য পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী।মহাকরণ থেকে রাজ্যের সচিবালয় চলবে, বিজেপির তরফে এই ঘোষণার পরই সেখানে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। তবে পুরোপুরি প্রস্তুত করে দিতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে। সেই সময়ের জন্য আপাতত বিধানসভার একটা অংশকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
