27.2 C
Kolkata

বিধানসভার বিতর্কে নতুন মোড়, কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সাম্প্রতিক অচলাবস্থা এবার পৌঁছাল স্বাধিকার ভঙ্গের পর্যায়ে। স্পিকারের আসনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে নোটিস জমা দিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। শুক্রবার সেই প্রস্তাব গ্রহণের কথা জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ। তবে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, তাঁর উদ্দেশ্য কখনও স্পিকারের চেয়ারকে অসম্মান করা ছিল না।

এই বিতর্কের সূত্রপাত বুধবারের অধিবেশনে। নিজের নাম থাকা সত্ত্বেও বক্তব্য রাখার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কুণাল ঘোষ প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হট্টগোলের মধ্যে অধিবেশন ব্যাহত হয় এবং পরে তাঁকে সাসপেন্ড করে সভাকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রভাব পরের দিনও বজায় থাকে।

আরও খবর : রাজ্যজুড়ে চলছে ইডির হানা, ব্যবসায়ীর বাড়ি ও রেস্তোরাঁয় একযোগে অভিযান

বৃহস্পতিবার অধিবেশন শুরু হতেই আগের দিনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। স্পিকারের মন্তব্য ঘিরে শাসকদলের একাংশ আপত্তি তোলে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার পর শুক্রবার পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ অভিযোগ করেন, বিধানসভার নিয়ম ও স্পিকারের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা হয়েছে।

জবাবে কুণাল ঘোষ জানান, তিনি শুধু বক্তব্য রাখার সুযোগ না পাওয়ার প্রতিবাদ করেছিলেন। আরও বলেছেন, আমিও এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। আমিও বলতে চাই। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম। আমরা ঘর চেয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে দেখতে বলেন। আমরা বলার সময় চাই। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে সেটাও দেখতে বলেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আমাদের বিরোধী দলনেতা, আমাদের নাম পাঠান আখরুজ্জামানকে। তা সত্ত্বেও আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। তবে স্পিকারের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত কোনও অসম্মান নেই বলেও দাবি করেন তিনি। যদি তাঁর আচরণে ভুল বার্তা গিয়ে থাকে, তবে তার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন তৃণমূল বিধায়ক। একই সঙ্গে অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ দুই পক্ষকেই নিজেদের মতভেদ আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

Latest News

More Articles Like This