ওয়েব ডেস্ক: শুক্রবার বিকেলে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করে একাধিক ছাত্র সংগঠন। মিছিল নির্বিঘ্নে এগোলেও ডোরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাদের লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল এবং ইট ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে অগ্রসর হয় এবং পরে জলকামান ব্যবহার করা হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে ধর্মতলা চত্বরে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
ঘটনার পর আন্দোলনে (Student Protest) অংশ নেওয়া এক সমর্থক দাবি করেন, শুরুতে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। তাঁর অভিযোগ, পরে কিছু বহিরাগত ভিড়ে ঢুকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু ছোড়ে। তিনি বলেন, আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।
আরও খবর : ‘আপনি যেভাবে ছুটছেন, আমি পারিনি’, বিধানসভায় অগ্নিমিত্রার কাজের প্রশংসায় ফিরহাদ
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এসএফআই, এআইডিএসও, আইসা-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের ডাকে এই মিছিল হয়। আন্দোলনকারীরা রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসার অনুমতি চান। পরে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থানের অনুমতি দেয় বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে উসকানির অভিযোগও সামনে এসেছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ভুয়ো তথ্য ও উসকানিমূলক প্রচারের অভিযোগে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
