অ্যাম্বুল্যান্স চালক থেকে ইসরোর টেকনিশিয়ান, ৫-৬ বার ব্যর্থতার পর অদম্য জেদে স্বপ্নপূরণ নদিয়ার দেবজিতের

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : ইচ্ছে থাকলে যে প্রতিকূলতাকেও জয় করা যায়, তারই নজির গড়লেন নদিয়ার (Nadia) গাংনাপুরের দেবজিৎ ভদ্র। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স চালক হিসেবে কাজ করতে করতেই ইসরোয় চাকরির স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। অদম্য জেদ, কঠোর পরিশ্রম এবং বারবার চেষ্টা শেষ পর্যন্ত তাঁকে পৌঁছে দিল সেই স্বপ্নের দরজায়। এবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোয় টেকনিশিয়ান হিসেবে যোগ দিতে চলেছেন দেবজিৎ।

প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা অ্যাম্বুল্যান্স চালানোর কাজ করতেন দেবজিৎ। কাজের ফাঁকে এবং অবসর সময়ে চলত পড়াশোনা। ইউটিউব ও কোচিং সেন্টারের সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরে ইসরোর পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন তিনি। চন্দ্রযানের সাফল্য দেখে ইসরোর (ISRO) মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার স্বপ্ন আরও দৃঢ় হয় দেবজিতের। তবে সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। ৫-৬ বার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েও হাল ছাড়েননি তিনি।

আরও খবর : টুলু-কাণ্ডে ডোমকলে বীরভূম পুলিশের হানা, সায়গলকে নিয়েই ম্যারাথন তল্লাশি

শেষ পর্যন্ত সেই জেদই এনে দিল সাফল্য। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে টেকনিশিয়ান বি পদে যোগ দিতে চলেছেন দেবজিৎ। তাঁর এই সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশি গোটা পরিবার। দেবজিতের মা চায়না ভদ্র জানিয়েছেন, অভাবের সংসারেও ছেলের স্বপ্নের উপর তাঁর সবসময় ভরসা ছিল। ছেলের সাফল্যে আনন্দে চোখে জল বাবারও। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ভদ্রও স্বামীর এই সাফল্যে গর্বিত।

অ্যাম্বুল্যান্সের স্টিয়ারিং থেকে ইসরোর মহাকাশ গবেষণার জগৎ—দেবজিতের এই যাত্রা যেন এক অনুপ্রেরণার গল্প। বারবার ব্যর্থতা এলেও স্বপ্নের পথে লড়াই থামিয়ে না দিলে সাফল্য যে একদিন ধরা দেয়, দেবজিতের কাহিনি তারই প্রমাণ।

অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে সংসার সামলানোর পাশাপাশি চলছিল ইসরোর প্রস্তুতি। ৫-৬ বার ব্যর্থ হয়েও থামেননি নদিয়ার দেবজিৎ। শেষ পর্যন্ত সেই অদম্য জেদই খুলে দিল মহাকাশ গবেষণার দরজা!
দেবজিৎ ভদ্র, নদিয়া, গাংনাপুর, ইসরো, অ্যাম্বুল্যান্স চালক, Nadia, Gangnapur, ISRO Technician

Latest News

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট আমিরশাহীর, দুর্বলতম আফগানিস্তান! ভারতের স্থান কোথায়?

ওয়েব ডেস্ক : বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোন দেশের নাগরিক কত সহজে বিভিন্ন দেশে প্রবেশ করতে পারেন, তার অন্যতম মাপকাঠি...

More Articles Like This