বীরভূমের পুকুর থেকে পদ্ম পাড়ি দিচ্ছে আমেরিকা-জার্মানিতে! চাষির ঘরে কত টাকা, বিদেশে দাম শুনলে চমকে যাবেন

Must Read

বীরভূম: দুর্গাপুজোর মরশুমে পদ্মের চাহিদা তুঙ্গে। আর সেই চাহিদা মেটাতে বীরভূমের পুকুরে ফোটা পদ্ম পৌঁছে যাচ্ছে কলকাতা থেকে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো শহরে। শুধু দেশের বাজারেই নয়, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে এই ফুল পাড়ি দিচ্ছে আমেরিকা, জার্মানি, জাপান ও থাইল্যান্ডেও। নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে বীরভূমের পদ্মের চাহিদা।

জেলার লাভপুর ও আহমেদপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার পুকুর এবং ছোট জলাশয়ে পদ্মচাষ বহু পরিবারের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুর্গাপুজোর পাশাপাশি লক্ষ্মীপুজো ও কালীপুজোতেও পদ্মের প্রয়োজন হয়। ফলে উৎসবের মরশুমে ফুলের চাহিদা বাড়তেই ব্যস্ততা বাড়ে চাষি ও ব্যবসায়ীদের।

আহমেদপুরের পদ্মচাষি ও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য অনুযায়ী, লাভপুর বিধানসভার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পদ্ম সংগ্রহ করে আহমেদপুর স্টেশনের মাধ্যমে দূরদূরান্তে পাঠানো হয়। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন দীপঙ্কর হালদার, প্রশান্ত দাস ও গৌতম মণ্ডলের মতো স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

তবে পদ্মের বাজারদরে রয়েছে বড়সড় পার্থক্য। চাষিদের কাছ থেকে একটি ফুল আড়াই থেকে তিন টাকায় কেনেন মহাজনেরা। পরে পাইকারি সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম বেড়ে পাঁচ থেকে ছয় টাকা হয়। রাজ্যের বাজারে খুচরো বিক্রির সময় একটি পদ্মের দাম সাত থেকে দশ টাকা পর্যন্ত পৌঁছয়। অন্য রাজ্যের বড় শহরগুলিতে সেই দাম ১৩ থেকে ২০ টাকা হতে পারে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি।

বিদেশের বাজারে পৌঁছলে একটি পদ্মের দাম আরও বেড়ে দুই থেকে পাঁচ ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় মুদ্রায় তা আনুমানিক ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে এই দামের সঙ্গে পরিবহণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানির খরচও জড়িত থাকতে পারে।

চাহিদা বাড়লেও নিশ্চিন্ত নন চাষিরা। অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি এবং উৎপাদিত ফুলের ন্যায্য দাম না পাওয়ার মতো সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। তবু পুজোর মরশুমে বীরভূমের পদ্মের এই বিস্তৃত বাজার স্থানীয় কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Latest News

কুণাল ঘোষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ হাইকোর্টের

ওয়েব ডেস্ক : তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট...

More Articles Like This