28.6 C
Kolkata

বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির জন্য একমাত্র দায়ী I-Pac, বিস্ফোরক অনুব্রত

Must Read

ওয়েব ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির জন্য একমাত্র দায়ী আইপ্যাক (I-Pac)। বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর প্রথম মুখ খুলে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal )।অভিযোগ, জেলা থেকে শুরু করে ব্লক স্তর পর্যন্ত সর্বত্রই টাকা তুলত I-pac। সেই কারণেই দলের সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সম্প্রতি লোকসভা এবং বিধানসভায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পৃথক ব্লক গড়ার চেষ্টাতেও ভুল কিছু দেখছেন না অনুব্রত।দুঃখ প্রকাশ করে কেষ্ট বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য খুব খারাপ লাগছে। ভদ্র মহিলার জন্য কষ্ট হচ্ছে। যতগুলো এমপি এমএলএ বেরিয়ে গিয়েছে তারাও এক কথা বলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আছি। অভিষেকে নিয়ে বিদ্রোহী।

প্রচারে অনুব্রতকে সে ভাবে দেখা যায়নি। দলের ভরাডুবির জন্য আইপ্যাককে দুষলেন। তিনি বলেন১৯৯৮ সালে দল তৈরি হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী ছিলেন। আমরা সাতটি আসন জিতেছিলাম। অনুব্রত আক্ষেপ আমরা রাখল বাগাল। মদন মিত্র, বালু, মুকুল রায় আমরা রাখাল-বাগাল ২০০৯, ১১, ১৬, ১৯,২১ ভোট করেছিলাম। কোন অসুবিধা হয়নি। এরাই ছিল দলের মেন। Ipac ছিলনা।পরে তাদের প্রয়োজন পড়ল কেন? ওদের জন্যই দলের এই ভরাডুবি।দুনিয়ার লোকের কাছ থেকে ওরা টাকা তুলেছে। রাজনীতির কিছু জানে না। ওরা পয়সা কামাতেই এসেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একা হয়েছে খারাপ লাগছে। তাকে ভালবাসতাম। শেষ থেকে মমতা কার পাল্লায় পরল বুঝতে পারলাম না! আমাকে এবারে ভোটের দায়িত্ব দেয়নি। কোর কমিটির মিটিং এ ipac বলছে কোন বিধায়ক প্রচারে ডাকলে যাবেন, না ডাকলে যাবেন না! ওই জন্য আমি ভোট করিনি। তা হলে আগ বাড়িয়ে আমার যাওয়ার দরকার কী? আমি তাই কিছু করিনি। বিজেপি খেটেছে, তাই জিতেছে।’’

আরও পড়ুন: সিঙ্গুরে বিনিয়োগ, টাটা গোষ্ঠী কি তবে ফিরছে রাজ্যে? কী জানালেন শুভেন্দু

কংগ্রেসকে চটানো ভুল হয়েছে। কিন্তু কে কার কথা শোনে!কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। সেই কংগ্রেসকে চটানো ভুল হয়েছে বলে মনে করেন অনুব্রত।পঞ্চায়েত, পুরসভা বিভিন্ন নির্বাচনের টাকা তুলেছে ipac, দলের কর্মীদের পদে রেখে দেবো বলে টাকা তুলেছে। সংগঠন নিয়ে দল চলে। ইউপি থেকে আসা আইপ্যাক বীরভূমের সংগঠন বুঝবে? কিন্তু কে কার কথা শোনে! আইপ্যাক এত টাকা তুলল। কিন্তু কেউ যদি জেগে ঘুমায়, দলের তো এই অবস্থা হবেই।’’অনুব্রত মণ্ডলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বলেন, সম্মান পেলে দল করবো, তা না হলে চুপচাপ বসে যাব। জেল থেকে আসার পর রাজনীতি করা বন্ধ করে দিয়েছি। দল আমার হাতে ঘি খায়নি! অন্যের হাতে খেয়েছে।ভোটের পর নিয়মিত পার্টি অফিস আসছি। দলীয় কার্যালয় থেকে আমি মন্দির ভাবি।

Latest News

পড়ুয়াদের কথা ভেবে বড় সিদ্ধান্ত, মর্নিং স্কুলে উপস্থিতির নিয়মে শিথিলতার অনুমতি সরকারের

ওয়েব ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল (FIFA World Cup 2026) ম্যাচকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গের মর্নিং স্কুলগুলির (Schools) জন্য বিশেষ...

More Articles Like This