ওয়েব ডেস্ক : গণনাকর্মী হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ব্যবহারের উপর আপত্তি নেই। শুক্রবার তৃণমূলে কংগ্রেসের (TMC) আর্জি খারিজ করে এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ফলে বহাল থাকছে গত ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকা। আর এ নিয়ে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)।
বিজেপি (BJP) নেতা সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “আরেকটি আইনি ধাক্কায়, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে। ভোট গণনার পর্যবেক্ষক (supervisor) পদের দায়িত্ব থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এবং এই বিষয়ে জরুরি শুনানির আবেদন করেছিল। এই আবেদন খারিজ করে দেওয়া একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়, গণনা প্রক্রিয়ার সততা নিয়ে সংশয় তৈরি করার বা প্রভাব খাটানোর কোনো প্রচেষ্টাই সহজে আইনি স্বীকৃতি পাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আরও একটি দিন, আরও একটি বিচারবিভাগীয় প্রত্যাখ্যান।”
In yet another legal setback, the Supreme Court of India has refused to intervene.
The Trinamool Congress had approached the Court challenging the exclusion of State government employees from vote counting supervisor duties, and had sought an urgent hearing.
The refusal to…
— Amit Malviya (@amitmalviya) May 2, 2026
আরও খবর : প্রসবকালে শিশু মৃত্যুর হার দেশে কমেছে, পরিসংখ্যান প্রকাশ কেন্দ্রের
এদিন বিচারপতি পিএস নরসিংহ এবং বিচারপতির জয়মাল্য বাগচীর বিশেষ বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের (TMC) আইজীবী কপিল সিব্বল জানিয়েছেন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এই নির্দেশিকা জারি করেছে ১৩ এপ্রিল।আমরা ২৯ এপ্রিল জানতে পেরেছি। রাজ্যের প্রত্যেকটা বুথ সমস্যায় পড়তে পারে। সার্কুলার এ বলা আছে একজন করে রাজ্যের নমিনিও রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশন আগে থেকেই আশঙ্কা করছে প্রত্যেকটা বুথে সমস্যা হতে পারে। কোথা থেকে এই ডাটা পেল? প্রতি গণনা টেবিলে মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে একজন করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী রয়েছেন। নতুন করে কেন কেন্দ্রীয় কর্মী রাখার প্রয়োজন? রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন রাখা হবে না? এ নিয়ে সিব্বল প্রশ্ন তুলেছেন কেন এক তরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
এদিকে কমিশনের (Election Commission) তরফে দাবি করা হয়েছিল, গণনায় রিটার্নিং অফিসারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা রয়েছে। তিনি রাজ্য সরকারের ক্যাডারেরই আধিকারিক। এছাড়া গণনার সময় নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকে। ফলে তৃণমূল যে আশঙ্কা প্রকাশ করছে তা ভিত্তিহীন। এর পর দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে তৃণমূলের আর্জি খারিজ করে শীর্ষ আদালত।
দেখুন অন্য খবর :
