26 C
Kolkata

ইদের দিন গো-রক্ষার দাবিতে পথে নামলেন মুসলিম সমাজের একাংশ

Must Read

ওয়েব ডেস্ক : কুরবানী ইদের (EID) উৎসবের দিনেই গো-রক্ষার (Cow protection) দাবিতে পথে নামলেন বানারহাটের (Banarhat) তেলিপাড়ার মুসলিম সমাজের একাংশ। ইদের নামাজের পর তেলিপাড়া গ্রামীণ মসজিদ এবং বড়ো জুমা সমাজের উদ্যোগে বের হয় একটি মিছিল। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে সম্প্রীতির বার্তা। গো-হত্যা বন্ধের আবেদন ঘিরেই এদিন সরব হন অংশগ্রহণকারীরা।

মিছিল থেকে মূলত দু’টি দাবি তোলা হয়। প্রথমত, সরকারি নির্দেশ মেনে এ বছরের কুরবানীতে গরু জবাই থেকে বিরত থাকার আবেদন। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে গো-হত্যা সারা দেশে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া গরুকে জাতীয় পশুর মর্যাদা দেওয়া হয়। সঙ্গে বিদেশে গরু রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়।

আরও খবর : শালিমার তোলাবাজি কাণ্ডে হাসপাতালে ঢুকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ, ধৃত এক

মিছিলের (Procession) ব্যানারে স্পষ্টভাবে লেখা ছিল, “ভারতবর্ষে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করতে হবে।” পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আইন নিজের হাতে না তোলার বার্তাও দেওয়া হয়। গণপিটুনি, মারধর বা খুনের মতো ঘটনাকে অমানবিক ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয় ব্যানারে। এদিনের মিছিলে সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার রোধে কড়া নজরদারির দাবিও ওঠে। একই সঙ্গে ‘গো-রক্ষা চাই, কিন্তু ঘৃণা নয়’, ‘মানবতা চাই, বিভেদ নয়’— এমন স্লোগানও শোনা যায় অংশগ্রহণকারীদের মুখে।

মিছিলের আয়োজকদের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির উপরও জোর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের মতে, “গরু, মন্দির, মসজিদ নিয়েই আটকে থাকলে চলবে না, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবতে হবে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কুরবানীকে ঘিরে আগেই সতর্ক অবস্থানে ছিল প্রশাসন। মিছিল শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে তেলিপাড়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। স্থানীয়দের একাংশের মতে, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরল নজির।

দেখুন অন্য খবর :

Latest News

দাম্পত্য ইতি টেনে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন স্বরূপ-জুঁই

কলকাতা: প্রভাবশালী সূত্রে তোলপাড় টলিপাড়া। আর ঠিক এই সময়ই বিশ্বাস পরিবারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের কথা সামনে প্রকাশ্যে এল। দীর্ঘ দিনের...

More Articles Like This