ওয়েব ডেস্ক: শাহরুখ খানের (Shahrukh Khan) দেহরক্ষী হিসেবে কাজ, আর তাতেই আমূল বদলে যায় জীবন! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলি খুলে এমনটাই জানালেন কিং খানের প্রাক্তন বডিগার্ড ইয়াসিন খান (Iyasin Khan)।
ইয়াসিনের কথায়, পারিশ্রমিক হয়তো কোটি টাকার ছিল না, কিন্তু অভিজ্ঞতায় কোনও খামতি ছিল না। শাহরুখের সঙ্গে কাজ করতেই জীবনে প্রথম বিমানে চড়ার সুযোগ পান তিনি। শুধু তাই নয়, ব্যক্তিগত বিমানে চেপে বিশ্বের আটটি দেশ ঘোরা, পাঁচতারা হোটেলে থাকা, সবই সম্ভব হয়েছে এই কাজের সূত্রে।
তিনি বলেন, “শাহরুখ স্যারের জীবন যেমন ছিল, আমার জীবনও তখন তেমনই হয়ে গিয়েছিল। আমার পাসপোর্টে আটটা দেশের স্ট্যাম্প, সবই ওঁর জন্য। ওঁর সঙ্গে কাজ করার সময়ই প্রথম বিমান দেখার সুযোগ পাই।”
২০০১ থেকে ২০১১। প্রায় দশ বছর শাহরুখের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন ইয়াসিন। এই সময়েই কাছ থেকে দেখেছেন অভিনেতার পারিবারিক দিকও।
তাঁর মতে, শাহরুখ শুধু বড় তারকাই নন, একজন দায়িত্বশীল ও প্রাণখোলা বাবা। ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও সন্তানদের জন্য সময় বের করতেন তিনি। স্কুলে নিয়ে যাওয়া, খেলাধুলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা, সব ক্ষেত্রেই সক্রিয় ছিলেন। এমনকি নিজের কাজ শেষ করে সন্তানদের পড়াতেও বসতেন।
ইয়াসিনের কথায় উঠে আসে এক অন্য শাহরুখ রুপোলি পর্দার ‘বাদশাহ’ নয়, বরং পরিবারকে কেন্দ্র করে বাঁচা এক সাধারণ মানুষ, যিনি দায়িত্ব আর ভালোবাসা দুটোই সমান গুরুত্ব দিয়ে সামলান।
